যুক্তরাষ্ট্র ও চীনকে মিত্র হওয়ার আহ্বান শি জিনপিংয়ের

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্র ও চীন প্রতিদ্বন্দ্বী না হয়ে বরং মিত্র হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকালে বেইজিংয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্বাগত জানান শি জিনপিং। এরপর তারা দুজন বৈঠকে বসেন।
ওই সময় শি জিনপিং ট্রাম্পকে বলেন, “এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে। আমি আপনাকে এবং মার্কিনিদের অভিনন্দন জানাই। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যেসব পার্থক্য আছে, তার চেয়ে আমাদের একসাথে কাজ করার স্বার্থগুলোই বেশি বড়।”
তিনি আরও বলেন, “সহযোগিতা উভয় দেশকে লাভবান করবে। অপরদিকে দ্বন্দ্ব উভয়ের ক্ষতি করে। দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার বদলে মিত্র হওয়া, একসঙ্গে সফল হওয়া এবং একই সাফল্যের দিকে ছুটে চলা উচিত। আর এ যুগে বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে সম্পর্ক কীরকম হওয়া উচিত সেটির একটি রূপরেখা আমরা তৈরি করতে পারি।”
জবাবে ট্রাম্প শি জিনপিংকে বলেন, “আপনি একজন মহান নেতা। আপনাকে আমার মহান বলাটা অনেকে পছন্দ করেন না। কারণ আমি এটি বলি। কারণ এটি সত্য।”
তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের সংঘাত হতে পারে
তাইওয়ান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চীনের সংঘাত হতে পারে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সতর্ক করেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি এটিকে ‘যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট শি বলেছেন, “যদি তাইওয়ান ইস্যু ভালোভাবে সামলানো হয় তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক স্থিতিশীল থাকবে। কিন্তু যদি এটি যথাযথভাবে সামলানো না হয় তাহলে দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব এমনকি সংঘাতও হতে পারে। এটি পুরো চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে।”
এছাড়া তাইওয়ান যে স্বাধীন দেশ হতে চায় সেটি তাইওয়ান প্রণালির স্থিতিশীলতার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক বলেও মন্তব্য করেন শি। আর তাইওয়ান প্রণালির স্থিতিশীলতা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্কের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র বলে জানান চীনা প্রেসিডেন্ট।
দৈএনকে/জে, আ