শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • গণমাধ্যমের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো গণতান্ত্রিক সরকারের পথ নয়: তথ্য উপদেষ্টা সচিব পরিচয়ে ফাঁদ, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার ৩০ লাখ টাকা আত্মসাৎ তানভীরের কারাগারে নির্যাতনের অভিযোগ ভিত্তিহীন: বগুড়া কারা কর্তৃপক্ষ সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা মামদানিকে ‘হামাসের বন্ধু’ বলায় নেতানিয়াহুর সমালোচনায় ইহুদি নেতারা তুরস্ককে হারিয়ে জিদানের কোচিং অভিষেক রাঙাল ফ্রান্স ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাড়ি চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত তানভীরের নির্যাতনের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, বলছে বগুড়া কারা কর্তৃপক্ষ নাগোয়ায় বৃষ্টির বাধা, শান্ত-লিটনদের অনুশীলন স্থগিত অপ্রতিম হত্যার পর অজ্ঞাত নম্বর থেকে বাবা-মাকে হুমকি, জিডি
  • হাট কাঁপাতে আসছে ১২০০ কেজির “দিনাজপুরের মহারাজা”, দাম ২০ লাখ

    হাট কাঁপাতে আসছে ১২০০ কেজির “দিনাজপুরের মহারাজা”, দাম ২০ লাখ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খানপুর দক্ষিণ শাহবাজপুর গ্রামে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিশাল আকৃতির একটি ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়, যার নাম রাখা হয়েছে ‘দিনাজপুরের মহারাজা’।

    প্রায় পাঁচ বছর বয়সী এই ষাঁড়টির ওজন প্রায় ১ হাজার ২০০ কেজি (প্রায় ৩০ মণ)। আকারে বড় হওয়ায় এটিকে দেখতে অনেকটা হাতির মতো বলে স্থানীয়রা মন্তব্য করছেন। ঈদকে কেন্দ্র করে এর দাম ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হাঁকানো হচ্ছে।

    মহারাজার মালিক লুৎফর রহমান একজন পেশাদার চালক। হিলি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে বিরামপুর উপজেলার খানপুর এলাকায় তিনি বসবাস করেন। তিনি জানান, জন্মের পর থেকেই বাছুরটি অন্যগুলোর তুলনায় আলাদা ছিল। পরম যত্নে লালন-পালনের ফলে এটি ধীরে ধীরে বিশাল আকার ধারণ করে।

    লুৎফর রহমান বলেন, “অনেক যত্নে বড় করেছি, এখন এটি আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো হয়ে গেছে।”

    তিনি আরও জানান, মহারাজার খাদ্যতালিকা বেশ সমৃদ্ধ। প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ধরনের খাবার দেওয়া হয়, যার মধ্যে থাকে দানাদার খাদ্য, কলা, আপেল, মালটা, তাজা ঘাস ও খড়। এতে দৈনিক প্রায় ২ হাজার টাকা ব্যয় হয়। গত পাঁচ বছরে মোট খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকায়।

    তার ছেলে রিয়াজুল ইসলাম বাবু বলেন, “মহারাজ শুধু একটি গরু নয়, আমাদের পরিবারের সন্তানের মতো। দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও ভালোবাসার ফলেই আজ এটি এত বড় হয়েছে।”

    স্থানীয়দের মধ্যে এই বিশাল ষাঁড়টিকে ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। প্রতিদিন আশপাশের গ্রাম থেকে শত শত মানুষ এটি দেখতে ভিড় করছেন। অনেকেই এর সঙ্গে ছবি ও সেলফি তুলছেন।

    বিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার চক্রবর্তী জানান, ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়টি জেলার অন্যতম বড় গরু হিসেবে পরিচিত। খামারিকে প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তাদের বড় পরিসরে খামার গড়তে পরামর্শ ও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ