লালমনিরহাট–কুড়িগ্রাম সীমান্তে কঠোর অবস্থানে বিজিবি

অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিশেষ করে যেসব সীমান্ত এলাকায় এখনো কাঁটাতারের বেড়া নেই, সেসব অঞ্চলকে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে সেখানে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।
শনিবার সকালে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম এবং কুড়িগ্রাম ২২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাটের সঙ্গে ভারতের প্রায় ৩৬০ দশমিক ১১ কিলোমিটার এবং কুড়িগ্রামের সঙ্গে প্রায় ২৭৮ দশমিক ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম বলেন, সীমান্তে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা সর্বদা সজাগ রয়েছে। প্রতিটি ক্যাম্প ও বর্ডার আউটপোস্টে (বিওপি) দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যরা সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের তৎপরতায় চোরাচালান অনেকাংশে কমেছে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশও প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে।
অন্যদিকে লে. কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক জানান, চোরাচালান প্রতিরোধ ও অবৈধ অনুপ্রবেশ দমনে বিজিবি “জিরো টলারেন্স” নীতি অনুসরণ করে কাজ করছে।
দহগ্রাম সীমান্ত এলাকার কৃষক নাহের আলী (৬৫) বলেন, বিজিবির নিয়মিত টহলের কারণে সীমান্ত এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষও এখন বেশি সচেতন হয়ে উঠেছে।