হযরত আলী (রাঃ)-এর ৬ দিরহামের দান ও বরকত
-এর_৬_দিরহামের_দান_ও_বরকত.jpg)
এক নৈঃশব্দ্যপূর্ণ ঘটনার মাধ্যমে হযরত আলী (রাঃ) ও হযরত ফাতেমা (রাঃ)-এর উদারতা ও ঈমানের দৃষ্টান্ত আবারও সমাদৃত হলো। জানা গেছে, হযরত ফাতেমা (রাঃ) একসময় অত্যন্ত অসুস্থ ছিলেন এবং তিন দিন ধরে পরিবারের কাছে কোনো খাবার ছিল না। তখন হযরত ফাতেমা (রাঃ) বরকতময় একটি পুরনো কাপড় হযরত আলী (রাঃ)-এর হাতে তুলে দেন বাজারে বিক্রি করার জন্য।
হযরত আলী (রাঃ) সেই কাপড়টি নিয়ে বাজারে যান। যদিও প্রাথমিকভাবে কেউ ক্রয় করতে আগ্রহী ছিলেন না, দোয়ার পর একজন ক্রেতা এসে ছয় দিরহামে কাপড়টি কিনে নেন। এ অর্থ দিয়ে হযরত আলী (রাঃ) খাবার কিনতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পথে এক ফকিরবেশী ফেরেশতা সাহায্যের জন্য হাজির হলে তিনি নিজ প্রয়োজন উপেক্ষা করে ছয় দিরহাম পুরোপুরি দান করেন।
পরবর্তীতে হযরত আলী (রাঃ) বাজারে একটি লাল ঘোড়া ক্রয় করেন ১০০ দিরহামে এবং তা বিক্রি করে ৬০ দিরহাম লাভ পান। এই অর্থ দিয়ে তিনি পরিবারের জন্য বিপুল পরিমাণ খাবার সংগ্রহ করেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ) এই বিস্ময়কর বরকত দেখে অবাক হন।
নবী করীম (সাঃ) পরে বিষয়টি জানতে পেরে বলেন, “যে কাপড়টি বিক্রি করা হয়েছিল এবং যে ঘোড়াটি ব্যবহৃত হয়েছিল, তা আল্লাহ জান্নাতে রেখেছেন। কিয়ামতের দিন সেই ঘোড়ার উপর তুমি প্রবেশ করবে এবং কাপড়টি হবে আলীর লাগাম।”
সংক্ষিপ্ত শিক্ষা:
অভাব ও প্রয়োজনের মুহূর্তে আল্লাহর পথে নিঃস্বার্থ দান করলে আল্লাহ বরকত দিয়ে প্রতিদান দেন। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও দানশীলতা বান্দাকে জান্নাতে উচ্চ মর্যাদা দান করে।
দৈএনকে/জে, আ