শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু স্টয়নিসের ঝড়ে এক ওভারে ৫ ছক্কা, দুঃস্বপ্নের ম্যাচ ইয়ান হল্যান্ডের গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে, ছাড় নয়: মির্জা ফখরুল চীন সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করতে নির্দেশ তারেক-শি বৈঠকে নতুন গতি, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ সমঝোতা সই ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ও সমবেদনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, জনবান্ধব সেবায় জোর সরকারের মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাজেটে করের বোঝা সাধারণের ওপর, ধনীদের সুবিধা বহাল: সিপিডি বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
  • ২০৩৬ সালের মধ্যে চাঁদে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রাশিয়ার

    ২০৩৬ সালের মধ্যে চাঁদে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রাশিয়ার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    "রাশিয়া চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা ও অবস্থান নিশ্চিত করতে নতুন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। দেশটি জানিয়েছে, ২০৩৬ সালের মধ্যে চাঁদে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হবে, যা রাশিয়ার চন্দ্র মিশন ও যৌথ রাশিয়া-চীন গবেষণা স্টেশনে শক্তি সরবরাহ করবে।"

    রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মহাকাশ সংস্থা রসকসমস জানিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে তারা ল্যাভোচকিন অ্যাসোসিয়েশন নামের একটি মহাকাশ নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে। যদিও সরাসরি ‘পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি, তবে প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটম এবং কুরচাতভ ইনস্টিটিউট (দেশটির শীর্ষ পারমাণবিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান) যুক্ত রয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পারমাণবিক শক্তিভিত্তিক হবে (পারমাণবিক শক্তি মানে পরমাণু থেকে উৎপন্ন শক্তি)।

    রসকসমস বলেছে, এই বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে চাঁদে চলমান যান (রোভার), মহাকাশ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র এবং গবেষণা স্টেশনের অন্যান্য স্থাপনায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়া সম্ভব হবে। তাদের মতে, এটি এককালীন অভিযানের যুগ শেষ করে চাঁদে স্থায়ী বৈজ্ঞানিক গবেষণার পথে বড় পদক্ষেপ।

    তবে রাশিয়া একা নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা জানিয়েছে, তারা ২০৩০ অর্থবছরের প্রথম ভাগের মধ্যেই চাঁদে একটি পারমাণবিক রিয়্যাক্টর (বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা) বসাতে চায়। যুক্তরাষ্ট্রের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, চাঁদে ঘাঁটি গড়তে হলে শক্তির বিকল্প নেই। এই শক্তি ভবিষ্যতে মানুষকে মঙ্গলে পাঠানোর পথও সহজ করবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চাঁদে বিপুল পরিমাণ হিলিয়াম-৩ (একটি বিরল জ্বালানি উপাদান) ও দুষ্প্রাপ্য ধাতু রয়েছে, যা আধুনিক প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। এসব কারণেই চাঁদকে ঘিরে বিশ্বশক্তিগুলোর আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ