শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু স্টয়নিসের ঝড়ে এক ওভারে ৫ ছক্কা, দুঃস্বপ্নের ম্যাচ ইয়ান হল্যান্ডের গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে, ছাড় নয়: মির্জা ফখরুল চীন সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করতে নির্দেশ তারেক-শি বৈঠকে নতুন গতি, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ সমঝোতা সই ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ও সমবেদনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, জনবান্ধব সেবায় জোর সরকারের মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাজেটে করের বোঝা সাধারণের ওপর, ধনীদের সুবিধা বহাল: সিপিডি বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
  • ভূমিকম্প শনাক্তকরণে আধুনিক প্রযুক্তির অবদান

    ভূমিকম্প শনাক্তকরণে আধুনিক প্রযুক্তির অবদান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ভূমিকম্প ঘটলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তা শনাক্ত করে ফেলে বিশ্বব্যাপী সিসমিক নেটওয়ার্ক। আমরা যে ভূমিকম্পের মাত্রা, গভীরতা ও অবস্থান দেখি—তার পেছনে রয়েছে অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক ও নির্ভুল হিসাব-নিকাশ।

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার সিসমোমিটার বা সিসমিক স্টেশন ছড়িয়ে আছে, যা মাটির ক্ষুদ্রতম কম্পনও রেকর্ড করে। উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্প মনিটরিং সংস্থাগুলো হলো: USGS (যুক্তরাষ্ট্র), EMSC (ইউরোপ), GFZ (জার্মানি), BMD (বাংলাদেশ), JMA (জাপান)

    ভূমিকম্প ঘটলে মাটির মধ্যে তৈরি হয় তিন ধরনের তরঙ্গ—P-Wave (Primary, দ্রুততম), S-Wave (Secondary), এবং Surface Wave, যা সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। প্রতিটি স্টেশন এই তরঙ্গগুলোর আগমনের সময় মাপতে থাকে।

    ভূমিকপের Epicenter বা কেন্দ্র নির্ণয় করতে অন্তত তিনটি স্টেশন থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। প্রতিটি স্টেশনে প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি তরঙ্গের আগমনের সময়ের পার্থক্য মাপা হয়, এবং তিনটি স্টেশনের দূরত্ব ব্যবহার করে triangulation পদ্ধতিতে কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়।

    ভূমিকপের মাত্রা (Magnitude) সাধারণত Moment Magnitude Scale (Mw) দ্বারা নির্ধারিত হয়। এটি নির্ভর করে সিসমিক তরঙ্গের অ্যাম্পলিটিউড, তরঙ্গের সময়কাল, ফাটলের আকার এবং ভূত্বকের মধ্যে মুক্ত শক্তির ওপর। গভীরতা (Depth) নির্ণয় করা হয় P ও S তরঙ্গের আগমনের পার্থক্য ও উন্নত অ্যালগরিদম ব্যবহার করে।

    USGS/EMSC প্রথম রিপোর্ট পাঠায় ১–২ মিনিটে, GFZ ২–৫ মিনিটে, এবং BMD সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে। প্রাথমিক ডেটা সীমিত স্টেশন থেকে আসার কারণে মাঝে মাঝে magnitude পরে পরিবর্তিত হয়, যা পরে রিভিউ করে আপডেট করা হয়।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আমরা এখন ভূমিকম্পের অবস্থান, গভীরতা ও শক্তি আগের তুলনায় অনেক দ্রুত জানতে পারি। বিশ্বব্যাপী চলমান হাজারো সিসমিক স্টেশনই এই তথ্য সরবরাহ নিশ্চিত করছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ