মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন এলিজা জামান আইজিপির বক্তব্য নিয়ে বিতর্কের পর কী হবে, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা শাড়ি বিতর্কে তিন মামলা, ‘সোলজার’ নিয়েও অনিশ্চয়তা—চাপে তানজিন তিশা পাঁচ কোম্পানির নামমাত্র নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা জ্বালানি, রেল ও অবকাঠামো খাতে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ কমনওয়েলথ মহাসচিবের সঙ্গে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ লিবিয়ার পার্লামেন্ট স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মডেলের, অস্বীকার হোয়াইট হাউসের ২০২৬ ব্যালন ডি’অর: কে জিতলেন কোন পুরস্কার ১১ দিনেই ৭১০ কোটি রুপি আয়, তামিল সিনেমার শীর্ষে ‘জেলার ২’
  • এমসি কলেজে দলবদ্ধ ধর্ষণ: একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

    এমসি কলেজে দলবদ্ধ ধর্ষণ: একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের বহুল আলোচিত মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি আবুল হোসেন।

    রায়ে সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শাহ মাহবুবুর রহমান (রনি), তারেকুল ইসলাম (তারেক) ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি চার আসামিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে এক দম্পতির গাড়ির গতিরোধ করা হয়। পরে তাদের কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে গিয়ে স্বামীকে আটকে রেখে গাড়ির ভেতরে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। একই সঙ্গে দম্পতির কাছ থেকে টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়া এবং গাড়ি আটকে রাখার অভিযোগও ওঠে।

    ঘটনার রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের সময় আরও দুইজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এই মামলার সঙ্গে একত্রে বিচারাধীন হয়।

    ঘটনার পর আত্মগোপনে থাকা আট আসামিকেই পুলিশ ও র‌্যাব তিন দিনের মধ্যে গ্রেপ্তার করে। তদন্ত চলাকালে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ডিএনএ পরীক্ষায় ছয় আসামির সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া গেছে।

    ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন