বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হোটেল, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা—পর্যটন খাতে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগে বিপর্যস্ত সাত জেলা, নিহত ৫৭, আহত ৪০ রাতে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে চমক! বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জেও বেপজার সাফল্য, বেড়েছে রপ্তানি ও কর্মসংস্থান ডেঙ্গু চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালের জন্য কঠোর নির্দেশনা বিভাগীয় মামলায় দোষী, চাকরিচ্যুত সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা বাংলাদেশে ভুয়া বিয়ের ফাঁদ, মানবপাচারের ঝুঁকির সতর্কতা চীনের ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, ৫ বছরের জেল ইসরায়েলি সেনার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত হৃদয়ের ‘শিক্ষার্থীদের ভয় নেই’, বিএনপিকে কড়া ভাষায় বার্তা দিলেন পাটওয়ারী
  • হোটেল, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা—পর্যটন খাতে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

    হোটেল, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা—পর্যটন খাতে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দেশের পর্যটন খাতকে অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এই পরিকল্পনার আওতায় কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল, আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ তথ্য জানান।

    তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রণয়নাধীন পর্যটন মহাপরিকল্পনার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে সময়োপযোগী করতে জাতীয় পর্যটন নীতিমালাও হালনাগাদ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মাধ্যমে পর্যটন অবকাঠামো সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন এবং নতুন পর্যটন কেন্দ্র চিহ্নিত করার কাজ চলমান রয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী জানান, কক্সবাজারে পর্যটন করপোরেশনের ১৩২ দশমিক ৪৪ একর জমিতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি মোটেল লাবনী কমপাউন্ডে আধুনিক পর্যটন ও হসপিটালিটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণের কাজও শুরু হয়েছে।

    এ ছাড়া কক্সবাজার, সিলেট ও খুলনায় পর্যটন করপোরেশনের নিজস্ব জমিতে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও অন্যান্য পর্যটন সুবিধা নির্মাণের প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। এসব প্রকল্পের বাজার সম্ভাব্যতা ও চাহিদা মূল্যায়নের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

    দেশি-বিদেশি পর্যটকদের সুবিধা বাড়াতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরে আধুনিক ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর, রেলস্টেশন ও স্থলবন্দরে এলইডি তথ্যবোর্ড স্থাপন, পর্যটন এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন এবং নিরাপত্তা জোরদারে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের কাজও চলছে।

    পর্যটন খাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি পিপিপির আওতায় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। একই সঙ্গে ইকো-ট্যুরিজম, কমিউনিটি ট্যুরিজম, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনের প্রসার এবং ডিজিটাল মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনার আন্তর্জাতিক প্রচারণাও জোরদার করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে নিয়মিত ডিপ্লোমা, শেফ, ফ্রন্ট অফিস, হাউসকিপিং ও ফুড অ্যান্ড বেভারেজ সার্ভিসসহ বিভিন্ন পেশাদার কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি প্রত্নতাত্ত্বিক, এথনিক ও ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্রগুলোর জন্য দক্ষ ট্যুর গাইড তৈরির বিশেষ কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মে মাসে এ কর্মসূচির আওতায় ১০১ জনকে পেশাদার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

    সরকারের লক্ষ্য, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষ জনবল ও প্রযুক্তিনির্ভর সেবার মাধ্যমে পর্যটন খাতকে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শক্তিশালী শিল্পে পরিণত করা।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন