বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আবু সাঈদকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল, ট্রাইব্যুনালের রায়ে যা বলা হয়েছে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর আজ ঐতিহাসিক জুলাই শহিদ দিবস, স্মরণে আবু সাঈদ হোটেল, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা—পর্যটন খাতে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগে বিপর্যস্ত সাত জেলা, নিহত ৫৭, আহত ৪০ রাতে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে চমক! বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জেও বেপজার সাফল্য, বেড়েছে রপ্তানি ও কর্মসংস্থান ডেঙ্গু চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালের জন্য কঠোর নির্দেশনা বিভাগীয় মামলায় দোষী, চাকরিচ্যুত সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা বাংলাদেশে ভুয়া বিয়ের ফাঁদ, মানবপাচারের ঝুঁকির সতর্কতা চীনের
  • ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বরখাস্ত

    ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বরখাস্ত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দীর্ঘ সময় কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ) মো. তোহিদুল ইসলামকে সরকারি চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।

    মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এতে স্বাক্ষর করেন সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মো. তোহিদুল ইসলাম ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর থেকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। পরে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসকের সনদসহ ১০ দিনের ছুটির আবেদন করলেও তার অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে বারবার নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি তদন্তে উপস্থিত হননি। এমনকি তার বড় ভাইও কর্তৃপক্ষকে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই।

    কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ৬০ দিনের বেশি কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা করা হয়। একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি।

    পরবর্তী সময়ে তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেন। দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হলেও তাতেও তিনি সাড়া দেননি।

    তদন্ত প্রতিবেদন, সংশ্লিষ্ট নথি ও অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করা হয়। বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছে পাঠানো হলে কমিশনও বরখাস্তের পক্ষে মত দেয়।

    এর পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি গত ১২ জুলাই বরখাস্তের প্রস্তাবে অনুমোদন দেন। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুসারে মো. তোহিদুল ইসলামকে ‘পলায়ন’-এর দায়ে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন