ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, ৫ বছরের জেল ইসরায়েলি সেনার

ইরানের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইসরায়েলি এক সেনাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সামরিক আদালত। বুধবার (১৫ জুলাই) ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইডিএফের তথ্য অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত ওই সেনা ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়ে ইরানি এজেন্টদের কাছে সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ করেছেন। এর বিনিময়ে তিনি আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
তদন্তে জানা গেছে, গত বছরের জুনে সংঘাত চলাকালে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার (ইন্টারসেপশন) ভিডিওসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ইরানি যোগাযোগের কাছে পাঠান ওই সেনা। তার ব্যবহৃত টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে এ-সংক্রান্ত বার্তার প্রমাণও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে আইডিএফ।
তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে ওই সেনার পরিচয়, কর্মরত ইউনিট এবং তাকে ঠিক কবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আইডিএফ আরও জানায়, গত বছরের জুনে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’-এর সময় অভিযুক্ত সেনা রকেট প্রতিরোধের দুটি ভিডিও ধারণ করেন। এছাড়া ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভিডিও ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করে সেগুলোও ইরানি এজেন্টদের কাছে পাঠান।
সামরিক আদালতে অভিযুক্ত সেনা বিদেশি এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে তার দাবি, তিনি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর কোনো অভ্যন্তরীণ গোপন নথি বা শ্রেণিবদ্ধ সামরিক তথ্য সরবরাহ করেননি।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত তাকে ১ হাজার ইসরায়েলি শেকেল অর্থদণ্ডও দিয়েছেন। ঘটনাটি ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।