বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হোটেল, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা—পর্যটন খাতে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর দুর্যোগে বিপর্যস্ত সাত জেলা, নিহত ৫৭, আহত ৪০ রাতে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে চমক! বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জেও বেপজার সাফল্য, বেড়েছে রপ্তানি ও কর্মসংস্থান ডেঙ্গু চিকিৎসায় বেসরকারি হাসপাতালের জন্য কঠোর নির্দেশনা বিভাগীয় মামলায় দোষী, চাকরিচ্যুত সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা বাংলাদেশে ভুয়া বিয়ের ফাঁদ, মানবপাচারের ঝুঁকির সতর্কতা চীনের ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, ৫ বছরের জেল ইসরায়েলি সেনার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত হৃদয়ের ‘শিক্ষার্থীদের ভয় নেই’, বিএনপিকে কড়া ভাষায় বার্তা দিলেন পাটওয়ারী
  • ভারী বর্ষণে ডুবেছে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে লাখো মানুষ

    ভারী বর্ষণে ডুবেছে চট্টগ্রাম, দুর্ভোগে লাখো মানুষ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর অধিকাংশ এলাকা জলাবদ্ধতায় আক্রান্ত হয়েছে। সড়ক, অলিগলি, বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিচু এলাকার বাসিন্দাদের অনেকেই রান্নাবান্না, চলাচল এবং দৈনন্দিন কাজকর্মে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন।

    বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে থাকতে দেখা যায়। আগ্রাবাদ, চকবাজার, বাকলিয়া, চান্দগাঁও, হালিশহর, পাঁচলাইশ, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর, পতেঙ্গা, কুয়াইশ, আকমল আলী সড়ক, হাজীপাড়া, লালদিঘির পাড়, সিঅ্যান্ডবি মোড়, পলিটেকনিক মোড় ও গোলপাহাড় কাজীরহাটসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

    বাকলিয়া এলাকায় অনেক দোকানে পানি ঢুকে পণ্যসামগ্রী নষ্ট হয়েছে। বাসিন্দারা আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ সদস্যদের নিয়ে অনেক পরিবারকে দুর্ভোগের মধ্যে সময় কাটাতে হচ্ছে।

    চকবাজারের বাসিন্দা আবদুর রহিম জানান, বৃষ্টির পানি ও ড্রেনের পানি একসঙ্গে মিশে যাওয়ায় টয়লেট ব্যবহার করা যাচ্ছে না। পানি নামছে না, দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হয়েছে।

    অন্যদিকে আগ্রাবাদের বাসিন্দা রেহানা বেগম বলেন, ঘরের নিচতলায় কোমরসমান পানি জমে রয়েছে। রান্নাঘরেও পানি ঢুকে যাওয়ায় চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। ফলে পরিবারকে শুকনো খাবার খেয়েই দিন পার করতে হচ্ছে।

    পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ২৩৭ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে আমবাগান আবহাওয়া অফিসে একই সময়ে ২২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।

    পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী পূর্বাভাস কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ চৌধুরী জানান, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী আরও দুই দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এ কারণে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি পাহাড়ধসের ঝুঁকিও রয়েছে। তিনি প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    এদিকে, টানা বৃষ্টিতে রেললাইন পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী আন্তঃনগর পর্যটক এক্সপ্রেস নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। চট্টগ্রামের ষোলোশহর এলাকায় প্রায় ১১ ঘণ্টা আটকে থাকার পর ট্রেনটির যাত্রা বাতিল করা হয়।

    রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদ বলেন, রেললাইনের ওপর অতিরিক্ত পানি জমে থাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ট্রেনটির যাত্রা বাতিল করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন