রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ১০০ দিনের সরকারের কাজের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরলেন উপদেষ্টা এআই ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রতারণা, ডিএমপির বিশেষ সতর্কবার্তা হামে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে ৫৪৫, নতুন আক্রান্ত ১,২২৪ ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত মক্কা, শুরু হজের আনুষ্ঠানিকতা সমালোচনার ঝড়ে বেতারের পোশাক নির্দেশনা প্রত্যাহার টাঙ্গাইলে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় জামায়াতের শোক প্রকাশ রাজধানীতে হঠাৎ মুষলধারে বৃষ্টি, কিছুটা স্বস্তি নগরবাসীর আজ থেকে মেট্রোরেলে বিশেষ ভাড়া সুবিধা পাচ্ছেন বয়োজ্যেষ্ঠ ও প্রতিবন্ধীরা ভয়াবহ দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইলে ১৫ শ্রমিকের মৃত্যু, পরিচয় শনাক্ত ঈদের ঠিক আগে আবারও সোনার দাম বাড়াল বাজুস
  • ইসলামে নারীদের কোরবানির বিধান কী

    ইসলামে নারীদের কোরবানির বিধান কী
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, কোরবানি কেবল পুরুষের ওপর নয়, বরং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারীদের ওপরও ওয়াজিব হয়। মূলত জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ (কোরবানির দিনগুলোতে) যদি কোনো মুসলিম প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন নারীর কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে তাঁর ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।

    নারীদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার প্রধান শর্তগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

    • নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকানা: যদি কোনো নারীর কাছে সাড়ে সাত ভরি সোনা অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা কিংবা এর সমমূল্যের নগদ টাকা বা ব্যবসায়িক পণ্য থাকে, তবে তাঁর ওপর কোরবানি ওয়াজিব।

    • ব্যক্তিগত অলঙ্কার: অনেক নারীর কাছে নগদ টাকা না থাকলেও কোরবানির দিনগুলোতে নেসাব পরিমাণ (সাড়ে সাত ভরি বা তার বেশি) স্বর্ণালঙ্কার থাকে; এমন ক্ষেত্রে ওই নারীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে।

    • প্রয়োজনাতিরিক্ত সম্পদ: নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র বা ব্যবহারের সামগ্রী বাদে যদি নেসাব পরিমাণ মূল্যের অতিরিক্ত সম্পদ বা জমি থাকে, তবে কোরবানি করা বাধ্যতামূলক।

    • স্বাধীন মালিকানা: নারীর মালিকানাধীন সম্পদ যদি তাঁর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং তিনি তা ব্যয়ের অধিকার রাখেন, তবেই এই বিধান প্রযোজ্য হবে।

    • পারিবারিক নির্ভরশীলতা: কোনো নারী যদি বাবার বাড়িতে বা স্বামীর সংসারে নির্ভরশীলও হন, তবুও যদি তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানায় নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে তাঁকে নিজ উদ্যোগে কোরবানি দিতে হবে।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য: স্বামীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার অর্থ এই নয় যে, স্ত্রীর কোরবানি আদায় হয়ে গেছে। যদি স্ত্রীর পৃথক নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে স্বামী ও স্ত্রী উভয়কেই আলাদাভাবে কোরবানি দিতে হবে। তবে স্ত্রী চাইলে তাঁর অনুমতিক্রমে স্বামী নিজের টাকা দিয়ে স্ত্রীর পক্ষ থেকে কোরবানি আদায় করে দিতে পারেন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন