সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প ছিল না: জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইহসান: মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণের ইসলামি শিক্ষা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিজিটাল সচেতনতা ক্যাম্পেইনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ৬ ম্যাচে ৭ গোল, তোরেসকে নিয়ে নতুন ভাবনায় পিএসজি মরিনহোর রেফারিং অভিযোগ, সিমিওনের বার্তা :‘সম্মানের সীমা অতিক্রম করা ঠিক নয়’ ফ্যাসিস্ট আমলে সরকারপ্রধানের বিদেশ সফরে কোটি কোটি টাকা অপচয় হতো: রিজভী জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফর, বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাসের সূচনা : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম বিভাগের ১২ কারাগারে ধারণক্ষমতার আড়াই গুণ বন্দি ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে হঠাৎ বিভ্রাট, কয়েক হাজার ব্যবহারকারীর ভোগান্তি নিখোঁজের পর মিলছে শিশুদের মরদেহ, আট মাসে নিহত ১৫৫
  • ইসলামে নারীদের কোরবানির বিধান কী

    ইসলামে নারীদের কোরবানির বিধান কী
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, কোরবানি কেবল পুরুষের ওপর নয়, বরং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে নারীদের ওপরও ওয়াজিব হয়। মূলত জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ (কোরবানির দিনগুলোতে) যদি কোনো মুসলিম প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন নারীর কাছে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে তাঁর ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।

    নারীদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার প্রধান শর্তগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

    • নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকানা: যদি কোনো নারীর কাছে সাড়ে সাত ভরি সোনা অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা কিংবা এর সমমূল্যের নগদ টাকা বা ব্যবসায়িক পণ্য থাকে, তবে তাঁর ওপর কোরবানি ওয়াজিব।

    • ব্যক্তিগত অলঙ্কার: অনেক নারীর কাছে নগদ টাকা না থাকলেও কোরবানির দিনগুলোতে নেসাব পরিমাণ (সাড়ে সাত ভরি বা তার বেশি) স্বর্ণালঙ্কার থাকে; এমন ক্ষেত্রে ওই নারীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে।

    • প্রয়োজনাতিরিক্ত সম্পদ: নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র বা ব্যবহারের সামগ্রী বাদে যদি নেসাব পরিমাণ মূল্যের অতিরিক্ত সম্পদ বা জমি থাকে, তবে কোরবানি করা বাধ্যতামূলক।

    • স্বাধীন মালিকানা: নারীর মালিকানাধীন সম্পদ যদি তাঁর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং তিনি তা ব্যয়ের অধিকার রাখেন, তবেই এই বিধান প্রযোজ্য হবে।

    • পারিবারিক নির্ভরশীলতা: কোনো নারী যদি বাবার বাড়িতে বা স্বামীর সংসারে নির্ভরশীলও হন, তবুও যদি তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানায় নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে তাঁকে নিজ উদ্যোগে কোরবানি দিতে হবে।

    বিশেষ দ্রষ্টব্য: স্বামীর ওপর কোরবানি ওয়াজিব হওয়ার অর্থ এই নয় যে, স্ত্রীর কোরবানি আদায় হয়ে গেছে। যদি স্ত্রীর পৃথক নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে স্বামী ও স্ত্রী উভয়কেই আলাদাভাবে কোরবানি দিতে হবে। তবে স্ত্রী চাইলে তাঁর অনুমতিক্রমে স্বামী নিজের টাকা দিয়ে স্ত্রীর পক্ষ থেকে কোরবানি আদায় করে দিতে পারেন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ