রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ১০০ দিনের সরকারের কাজের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরলেন উপদেষ্টা এআই ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রতারণা, ডিএমপির বিশেষ সতর্কবার্তা হামে মৃত্যু সংখ্যা বেড়ে ৫৪৫, নতুন আক্রান্ত ১,২২৪ ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত মক্কা, শুরু হজের আনুষ্ঠানিকতা সমালোচনার ঝড়ে বেতারের পোশাক নির্দেশনা প্রত্যাহার টাঙ্গাইলে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনায় জামায়াতের শোক প্রকাশ রাজধানীতে হঠাৎ মুষলধারে বৃষ্টি, কিছুটা স্বস্তি নগরবাসীর আজ থেকে মেট্রোরেলে বিশেষ ভাড়া সুবিধা পাচ্ছেন বয়োজ্যেষ্ঠ ও প্রতিবন্ধীরা ভয়াবহ দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইলে ১৫ শ্রমিকের মৃত্যু, পরিচয় শনাক্ত ঈদের ঠিক আগে আবারও সোনার দাম বাড়াল বাজুস
  • ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা যাবে কি? ইসলাম কী বলে

    ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা যাবে কি? ইসলাম কী বলে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আর মাত্র কয়েক দিন পরেই মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। এ উপলক্ষে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।

    কোরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো একমাত্র আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু সবই আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক; তাঁর কোনো শরিক নেই।” (সুরা আনআম: ১৬২-১৬৩)

    এই আয়াত থেকে স্পষ্ট হয় যে, নামাজ থেকে শুরু করে কোরবানি—সব ইবাদতই একমাত্র আল্লাহর জন্য নিবেদন করতে হবে। মুশরিকরা যেখানে বিভিন্ন প্রতিমার নামে উৎসর্গ করে, সেখানে মুসলমানদের সকল ইবাদতে একনিষ্ঠতা ও ইখলাস বজায় রাখা আবশ্যক।

    শরিয়ত অনুযায়ী, ঈদুল আজহার দিন কোরবানির সময় শুরু হয় ঈদের নামাজ আদায়ের পর থেকে। অর্থাৎ, যে এলাকায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে নামাজ শেষ হওয়ার আগে কোরবানি করলে তা বৈধ হবে না। ঈদের নামাজের পূর্বে কোরবানি করলে তা আদায় হিসেবে গণ্য হবে না এবং পুনরায় কোরবানি করতে হবে।

    হাদিসে বর্ণিত আছে, জুনদাব ইবনু আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) ঈদের দিন নামাজ শেষে খুতবা দেন এবং এরপর কোরবানি করেন। তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি নামাজের আগে জবাই করেছে, সে যেন তার স্থলে আরেকটি পশু কোরবানি করে।” (সহিহ বুখারি: ৯৮৫)

    তবে কিছু ব্যতিক্রম ক্ষেত্র রয়েছে। যেসব প্রত্যন্ত গ্রাম বা এলাকায় ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা নেই, সেখানে ১০ জিলহজ ফজর হওয়ার পর থেকেই কোরবানি করা বৈধ। সেখানে ঈদের নামাজের জন্য অপেক্ষা করার বাধ্যবাধকতা নেই।

    হানাফি মাযহাব অনুযায়ী, কোরবানির সময় শুরু হয় ১০ জিলহজ সুবহে সাদিকের পর থেকে। তবে যেসব শহর বা বড় জনপদে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়, সেখানে নামাজের পরই কোরবানি করতে হবে। অন্যদিকে, ছোট গ্রাম বা দূরবর্তী এলাকায় যেখানে ঈদের জামাত হয় না, সেখানে ভোর থেকে কোরবানি করা যেতে পারে।

    সারকথা হলো, শহরাঞ্চলে ঈদের নামাজের পর কোরবানি করা বাধ্যতামূলক, আর যেসব এলাকায় ঈদের নামাজ নেই সেখানে ভোর থেকেই কোরবানির বিধান কার্যকর হয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন