সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প ছিল না: জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ইহসান: মানুষের সঙ্গে সুন্দর আচরণের ইসলামি শিক্ষা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিজিটাল সচেতনতা ক্যাম্পেইনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ৬ ম্যাচে ৭ গোল, তোরেসকে নিয়ে নতুন ভাবনায় পিএসজি মরিনহোর রেফারিং অভিযোগ, সিমিওনের বার্তা :‘সম্মানের সীমা অতিক্রম করা ঠিক নয়’ ফ্যাসিস্ট আমলে সরকারপ্রধানের বিদেশ সফরে কোটি কোটি টাকা অপচয় হতো: রিজভী জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর সফর, বিশ্বমঞ্চে নতুন ইতিহাসের সূচনা : মাহদী আমিন চট্টগ্রাম বিভাগের ১২ কারাগারে ধারণক্ষমতার আড়াই গুণ বন্দি ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে হঠাৎ বিভ্রাট, কয়েক হাজার ব্যবহারকারীর ভোগান্তি নিখোঁজের পর মিলছে শিশুদের মরদেহ, আট মাসে নিহত ১৫৫
  • ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা যাবে কি? ইসলাম কী বলে

    ঈদের নামাজের আগে কোরবানি করা যাবে কি? ইসলাম কী বলে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আর মাত্র কয়েক দিন পরেই মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। এ উপলক্ষে আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।

    কোরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো একমাত্র আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জন করা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু সবই আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক; তাঁর কোনো শরিক নেই।” (সুরা আনআম: ১৬২-১৬৩)

    এই আয়াত থেকে স্পষ্ট হয় যে, নামাজ থেকে শুরু করে কোরবানি—সব ইবাদতই একমাত্র আল্লাহর জন্য নিবেদন করতে হবে। মুশরিকরা যেখানে বিভিন্ন প্রতিমার নামে উৎসর্গ করে, সেখানে মুসলমানদের সকল ইবাদতে একনিষ্ঠতা ও ইখলাস বজায় রাখা আবশ্যক।

    শরিয়ত অনুযায়ী, ঈদুল আজহার দিন কোরবানির সময় শুরু হয় ঈদের নামাজ আদায়ের পর থেকে। অর্থাৎ, যে এলাকায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে নামাজ শেষ হওয়ার আগে কোরবানি করলে তা বৈধ হবে না। ঈদের নামাজের পূর্বে কোরবানি করলে তা আদায় হিসেবে গণ্য হবে না এবং পুনরায় কোরবানি করতে হবে।

    হাদিসে বর্ণিত আছে, জুনদাব ইবনু আবদুল্লাহ (রা.) বলেন, নবীজি (সা.) ঈদের দিন নামাজ শেষে খুতবা দেন এবং এরপর কোরবানি করেন। তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি নামাজের আগে জবাই করেছে, সে যেন তার স্থলে আরেকটি পশু কোরবানি করে।” (সহিহ বুখারি: ৯৮৫)

    তবে কিছু ব্যতিক্রম ক্ষেত্র রয়েছে। যেসব প্রত্যন্ত গ্রাম বা এলাকায় ঈদের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা নেই, সেখানে ১০ জিলহজ ফজর হওয়ার পর থেকেই কোরবানি করা বৈধ। সেখানে ঈদের নামাজের জন্য অপেক্ষা করার বাধ্যবাধকতা নেই।

    হানাফি মাযহাব অনুযায়ী, কোরবানির সময় শুরু হয় ১০ জিলহজ সুবহে সাদিকের পর থেকে। তবে যেসব শহর বা বড় জনপদে ঈদের নামাজ আদায় করা হয়, সেখানে নামাজের পরই কোরবানি করতে হবে। অন্যদিকে, ছোট গ্রাম বা দূরবর্তী এলাকায় যেখানে ঈদের জামাত হয় না, সেখানে ভোর থেকে কোরবানি করা যেতে পারে।

    সারকথা হলো, শহরাঞ্চলে ঈদের নামাজের পর কোরবানি করা বাধ্যতামূলক, আর যেসব এলাকায় ঈদের নামাজ নেই সেখানে ভোর থেকেই কোরবানির বিধান কার্যকর হয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ