মোজতবা খামেনিকে ঘিরে ইরানের ক্ষমতায় প্রভাবশালী ‘ব্রাদারহুড’ নেটওয়ার্ক

ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বে পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তেহরানের ক্ষমতার কাঠামো। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির পর সম্ভাব্য নেতৃত্বে মোজতবা খামেনির নাম সামনে এলেও বাস্তবে ক্ষমতা পরিচালনায় একক কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর বর্তমান ও সাবেক একদল শীর্ষ কমান্ডার সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন। এই প্রভাবশালী গোষ্ঠীকে অনানুষ্ঠানিকভাবে ‘ব্যান্ড অব ব্রাদার্স’ নামে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই কর্মকর্তাদের অনেকেই ১৯৮০-এর দশকে ইরান–ইরাক যুদ্ধের সময় সামরিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে দেশের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে উঠে আসেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা ইরানের নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মোজতবা খামেনির সঙ্গে এই কমান্ডারদের দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সম্পর্ক রয়েছে। এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমেই এখন ইরানের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সিদ্ধান্তগুলোতে সমন্বিত প্রভাব তৈরি হচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিন্ন সামরিক পটভূমি ও কঠোর নিরাপত্তা দৃষ্টিভঙ্গির কারণে এই গোষ্ঠী ইরানের ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক কাঠামোকে আরও সুসংগঠিত করেছে বলেও মনে করা হচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি