ঈদ সামনে রেখে বাজারে অস্বস্তি, মাছের দাম চড়া

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে অস্বস্তি বিরাজ করছে। যদিও কিছু সবজি, মুরগি ও ডিমের দাম সামান্য কমেছে, তবে মাছ ও কিছু মৌসুমি পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় স্বস্তি ফিরেনি।
শুক্রবার (২২ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কিছুটা কমলেও অধিকাংশ সবজি এখনও কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। করলা, বেগুন, শসা, পটল, ঝিঙ্গা, বরবটি, ঢেঁড়সসহ বেশিরভাগ সবজির দাম একই সীমার মধ্যে ঘোরাফেরা করছে।
মাছের বাজারে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, মৃগেলসহ দেশি মাছের দাম স্থিতিশীল থাকলেও ইলিশ ও চিংড়ির দাম তুলনামূলকভাবে বেশি। মান ও আকারভেদে ইলিশ কেজিপ্রতি ৮০০ টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিংড়ির দামও ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে রয়েছে।
মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে কমে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় নেমেছে, সোনালি মুরগিও তুলনামূলকভাবে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দামও সামান্য কমে ডজনপ্রতি ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে গরুর মাংস ৮০০ টাকা কেজি দরে এবং খাসির মাংস ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঈদকে কেন্দ্র করে আদা ও কিছু মসলার দাম কিছুটা বাড়লেও পেঁয়াজ ও রসুনের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ পরিস্থিতি ও পরিবহন খরচের কারণে কিছু পণ্যের দাম ওঠানামা করছে। তবে ক্রেতারা বলছেন, বাজারে কার্যকর মনিটরিং না থাকায় দামের অস্থিরতা কাটছে না।
সব মিলিয়ে ঈদের আগে নিত্যপণ্যের বাজারে মিশ্র চিত্র দেখা গেলেও মাছ ও কিছু পণ্যের উচ্চ দামে সাধারণ ক্রেতাদের চাপ বাড়ছে।