শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু স্টয়নিসের ঝড়ে এক ওভারে ৫ ছক্কা, দুঃস্বপ্নের ম্যাচ ইয়ান হল্যান্ডের গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে, ছাড় নয়: মির্জা ফখরুল চীন সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করতে নির্দেশ তারেক-শি বৈঠকে নতুন গতি, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ সমঝোতা সই ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ও সমবেদনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, জনবান্ধব সেবায় জোর সরকারের মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাজেটে করের বোঝা সাধারণের ওপর, ধনীদের সুবিধা বহাল: সিপিডি বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
  • সুস্থ থাকতে সকাল-সন্ধ্যায় ‘তিন কুল’ ও আয়াতুল কুরসীর গুরুত্ব

    সুস্থ থাকতে সকাল-সন্ধ্যায় ‘তিন কুল’ ও আয়াতুল কুরসীর গুরুত্ব
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইসলামী শিক্ষায় কালোজাদু বা ‘সিহর’-এর অস্তিত্বকে স্বীকার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন তাফসির ও হাদিসে উল্লেখ পাওয়া যায় (সূরা বাকারা ২:১০২)। তবে এর প্রভাব থেকে মুক্তি ও সুরক্ষার প্রধান উপায় হিসেবে কুরআন তেলাওয়াত, দোয়া এবং রুকইয়াহর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

    ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত কিছু সূরা ও আয়াত পাঠ করলে আল্লাহর হেফাজত লাভ করা যায় এবং শয়তান ও জাদুর প্রভাব থেকে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। এর মধ্যে সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস—যাকে ‘তিন কুল’ বলা হয়—বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নবী মুহাম্মদ (সা.) এগুলো সকাল-সন্ধ্যায় পাঠ করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।

    এছাড়া আয়াতুল কুরসী (সূরা বাকারা ২:২৫৫) নামাজের পর ও ঘুমানোর আগে পড়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত (২:২৮৫-২৮৬) ঘরে শয়তানের প্রভাব থেকে সুরক্ষার মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

    ধর্মীয় আলেমদের ব্যাখ্যায় বলা হয়, সূরা ফালাক ও নাসকে নিয়মিত পাঠ করা বদনজর, জিন ও জাদুর ক্ষতি থেকে সুরক্ষার অন্যতম প্রধান উপায়। পাশাপাশি সূরা বাকারা ঘরে তেলাওয়াত করলে পরিবেশ থেকে অশুভ প্রভাব দূর হয় বলে ইসলামী বর্ণনায় পাওয়া যায়।

    অন্যদিকে, কেউ যদি কালোজাদুর লক্ষণ অনুভব করেন, তাহলে রুকইয়াহ শরিয়াহর মাধ্যমে চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে নির্দিষ্ট সূরা ও আয়াত পানিতে পড়ে তা পান করা বা শরীরে ব্যবহার করার প্রচলন রয়েছে, যা ইসলামী স্কলারদের ব্যাখ্যায় বৈধ ও সুন্নাহসম্মত পদ্ধতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

    বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করে বলেন, ইসলামে শিরকযুক্ত কোনো তাবিজ, কবচ বা অবৈধ ঝাড়ফুঁকের আশ্রয় নেওয়া নিষিদ্ধ। বরং নামাজ, দোয়া, তওবা ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসাই মূল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত।

    ধর্মীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, নিয়মিত ইবাদত ও কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে একজন মুমিন আল্লাহর হেফাজতে থাকতে পারেন এবং আধ্যাত্মিকভাবে শক্তিশালী হতে পারেন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ