শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু স্টয়নিসের ঝড়ে এক ওভারে ৫ ছক্কা, দুঃস্বপ্নের ম্যাচ ইয়ান হল্যান্ডের গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে, ছাড় নয়: মির্জা ফখরুল চীন সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করতে নির্দেশ তারেক-শি বৈঠকে নতুন গতি, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ সমঝোতা সই ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ও সমবেদনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, জনবান্ধব সেবায় জোর সরকারের মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাজেটে করের বোঝা সাধারণের ওপর, ধনীদের সুবিধা বহাল: সিপিডি বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
  • প্রাণীরা ভূমিকম্প অনুভব করে কীভাবে?

    প্রাণীরা ভূমিকম্প অনুভব করে কীভাবে?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ভূমিকম্প আসার আগে ভূগর্ভে চাপ জমে। যেখান থেকে তৈরি হয় micro-seismic waves।এগুলো এত ক্ষুদ্র যে মানুষ অনুভব করতে পারে না,

    কিন্তু বিড়ালের গোঁফ, কুকুরের কান, পাখির পালক ও ভারসাম্য সিস্টেম,এবং গরুর পায়ের হাড়ের কম্পন সেন্সর এসব অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গও রেজিস্টার করে ফেলে। ফলে আগে থেকেই এরা চঞ্চল হয়ে ওঠে। লুকিয়ে পড়তে চায় কিংবা চিৎকার করে ডাকা শুরু করে। 

    ওদিকে  ভূমিকম্পের আগে মাটির নিচে infrasound তৈরি হয় যার ফ্রিকোয়েন্সি মানুষের কানে পৌঁছায় না, কিন্তু প্রাণীরা শুনতে পায়। 

    কেন মানুষ সেটা শুনতে পারে না? কারন মানুষ কেবল 20Hz থেকে 20,000 Hz পর্যন্ত শুনতে পায়। সেখানে কুকুর 5Hz পর্যন্ত, হাতি 1Hz পর্যন্ত সিগন্যাল ধরতে পারে। বেড়াল, পাখি তো আরো দূরের low-frequency vibration ধরে ফেলতে পারে। এই ইনফ্রাসাউন্ড ভূমিকম্পের আগে মিনিট বা ঘণ্টা ধরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে এরা অস্বাভাবিক আচরন করে। 

    ওদিকে ভূমিকম্পের আগে ভূগর্ভ থেকে radon gas নির্গত হয়। মানুষ এটা টের পায় না,

    কিন্তু প্রাণীরা পায়। কারন প্রাণীদের ঘ্রাণ ক্ষমতা মানুষের চেয়ে ২০০–১০০০ গুণ বেশি।

    এরবাইরে ভূমিকম্পের আগে মাটির ফাটলে চাপ সৃষ্টি হয়।এই চাপ থেকে বের হয় positive ions বা চার্জড কণিকা।এগুলো বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণীরা এই বৈদ্যুতিক পরিবর্তন খুব দ্রুত টের পায়—বিশেষ করে: বিড়াল, পাখি,মাছ, এগুলো তাদের নার্ভ সিস্টেমে অস্বস্তি ও অস্থিরতা তৈরি করে, তাই এরা আচমকা দৌড়ঝাঁপ শুরু করে।

    এক্ষেত্রে আমরা কী করতে পারি? আমরা সম্ভব হলে বাসা বাড়িতে বেড়াল পালতে পারি কিংবা আশাপাশে রাস্তায় ঘুরতে থাকা পথের কুকুরগুলোর দিকে খেয়াল করে দেখতে পারি। যদি কোনো ভাবে তাদের অস্বাভাবিক আচরন দেখি, চঞ্চল হতে দেখি অবশ্যই কারণ খুঁজে দেখতে হবে।

    মনে রাখা উচিত , মানুষ অকারনে অনেক কিছু করতে পারে কিন্তু পশুপাখিরা অকারণে কিছুই করেনা। 

    নিরাপদে থাকুন, সুস্থ থাকুন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ