শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু স্টয়নিসের ঝড়ে এক ওভারে ৫ ছক্কা, দুঃস্বপ্নের ম্যাচ ইয়ান হল্যান্ডের গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে, ছাড় নয়: মির্জা ফখরুল চীন সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করতে নির্দেশ তারেক-শি বৈঠকে নতুন গতি, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ সমঝোতা সই ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ও সমবেদনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, জনবান্ধব সেবায় জোর সরকারের মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাজেটে করের বোঝা সাধারণের ওপর, ধনীদের সুবিধা বহাল: সিপিডি বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
  • সমুদ্রের তলদেশের চমক

    সমুদ্রের তলদেশের চমক
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বৈজ্ঞানিকরা আবিষ্কার করেছেন, সমুদ্রের নিচে বসবাসকারী সাগরশঙ্খ শুধুই সাধারণ প্রাণী নয়; তাদের দেহের প্রতিটি অংশ মস্তিষ্কের মতো কাজ করে। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, সাগরশঙ্খের শরীরে প্রচলিত কোনো কেন্দ্রীয় মস্তিষ্ক না থাকলেও উন্নত স্নায়ুতন্ত্র ও মস্তিষ্কসদৃশ নেটওয়ার্ক রয়েছে।

    বার্লিনের ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের জীববিজ্ঞানী জ্যাক উলরিখ-লুটার বলেন, সাগরশঙ্খের মতো প্রাণীর প্রচলিত কোনো কেন্দ্রীয় মস্তিষ্ক না থাকলেও তারা মস্তিষ্কসদৃশ সংগঠন গড়ে তুলতে পারে। এটি জটিল স্নায়ুতন্ত্রের বিবর্তন সম্পর্কে আমাদের ধারণা একেবারে পাল্টে দিতে পারে। সাগরশঙ্খ একাইনোডার্মাটা শ্রেণির প্রাণী। এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত তারামাছ, সমুদ্রশসা ও ব্রিটল স্টারও। 

    তাদের দেহের গঠন বয়স অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। শৈশবে তারা অন্যান্য প্রাণীর মতো দ্বিপার্শ্বিক (দুই পাশ সমান) হলেও বড় হয়ে বৃত্তাকার দেহরূপ নেয়।

    গবেষক দলটি কচি বেগুনি রঙের সাগরশঙ্খ নিয়ে গবেষণা করেন। গবেষণায় দেখা যায়, পূর্ণবয়স্ক সাগরশঙ্খের পুরো শরীরটাই যেন ‘মাথা’, আর প্রচলিত অর্থে কোনো গলা নেই। 

    গবেষণায় আরও জানা যায়, সাগরশঙ্খের শরীরে শত শত পৃথক স্নায়ুকোষে এমন জিন সক্রিয়, যা মানুষসহ অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীর কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে দেখা যায়। অর্থাৎ, শুধু স্নায়ু নেটওয়ার্ক নয়, তাদের দেহজুড়ে একধরনের মস্তিষ্কসদৃশ ব্যবস্থা কাজ করছে।

    তাছাড়া এই প্রাণীর শরীরে আলো-সংবেদনশীল কোষ পাওয়া গেছে, যা মানুষের চোখের রেটিনার মতো আলো শনাক্ত করতে পারে। তাদের স্নায়ুতন্ত্রের বড় একটি অংশই আলোতে সংবেদনশীল। ফলে ধারণা করা হচ্ছে, আলো তাদের চলাচল ও আচরণে ভূমিকা রাখে। এমনকি কিছু কোষে একসঙ্গে দুই ধরনের আলোকগ্রাহক ও পাওয়া গেছে, যা তাদের আলো শনাক্ত করার ক্ষমতাকে আরও জটিল ও উন্নত করে তুলেছে।

    গবেষকদের মতে, এই আবিষ্কার সাগরশঙ্খ ও অনুরূপ প্রাণীর বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা ও বিবর্তন প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ