শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: নিহত বেড়ে ৫ ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস
  • ভারতের রাজনীতিতে উত্তেজনা

    ভুয়া ভোটার কি নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কারণ?

    ভুয়া ভোটার কি নরেন্দ্র মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কারণ?
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গত বছরের জুন মাসে টানা তৃতীয়বার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি। যদিও তাঁর দল বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি, তবে জোট গঠনের মাধ্যমে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। মোদির সরকার গঠনে তেলেগু দেশম, জনতা দল ইউনাইটেডসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছে। এর ফলে সরকার গঠনে কোনো ধরনের জটিলতা হয়নি।

    তৃতীয় মেয়াদে মোদির এখনও ১৫ মাস পার হয়নি। এরই মধ্যে দেশের বিরোধী দলগুলো জোরেশোরে তাঁর ইস্তফা দাবি শুরু করেছে। লোকসভায় বিরোধী দলনেতা ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা রাহুল গান্ধী লাগাতার বলেই চলেছেন, আগাগোড়া ভুলে ভরা ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে জিতেছেন নরেন্দ্র মোদি। এ জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনকেও দুষছেন। গত বুধবার বিহারের মুজফফরপুরে এক নির্বাচনী সভায় রাহুল অভিযোগ করেন, বৈধ ভোটারদের ভোট কেটে আর জাল ভোটারদের নাম তালিকায় যোগ করেই মোদি ভোটে জিতেছেন। এ কাজে তাঁকে সাহায্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং দেশের নির্বাচন কমিশন।

    রাহুলের পাশে দাঁড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তা ছাড়া ডিএমকে, আরজেডির মতো দলগুলোরও সমর্থন পাচ্ছেন তিনি। তৃণমূলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা অভিষেক ব্যানার্জি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন যদি মেনেই নেয়– দেশের ভোটার তালিকায় প্রচুর অসংগতি আছে, তাহলে এই সরকারের কোনো বৈধতা থাকতে পারে না। সে ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী মোদিসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের পদত্যাগ করা উচিত। 

    এদিকে বিরোধীদের তোলা ভোট চুরির অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে, যা অস্বস্তিতে ফেলছে মোদি সরকারকে। গত ১১ বছরে মোদিকে এতটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে দেখা যায়নি। ক্ষমতাসীন বিজেপি ভোট চুরির অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে। তবে বিহারসহ বিভিন্ন রাজ্যে ভোটার তালিকায় ব্যাপক সংশোধন (এসআইআর) দরকার, তাতে সমর্থন জানাচ্ছে তারা। জাতীয় নির্বাচন কমিশনও মেনে নিয়েছে– কোনো কোনো রাজ্যের ভোটার তালিকায় প্রচুর ভুয়া নাম আছে। বিহারে আগামী নভেম্বরে ভোট হওয়ার কথা। 

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী দিন দশেক আগেই বিহারে তাঁর ‘ভোটার অধিকার যাত্রা’ শুরু করেন। যার অংশ হিসেবে ১৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রাপথে তিনি বিভিন্ন জেলায় পদযাত্রা ও সমাবেশ করছেন। বুধবার বিহারের মুজফফরপুরের সমাবেশ থেকে তিনি বলেন, এই ভোট চুরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গুজরাট থেকে, যখন নরেন্দ্র মোদি ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০১৪ সালে সেই মডেল গুজরাট থেকে জাতীয় স্তরে আমদানি করা হয়। তিনি গুজরাট মডেলকে ভোট চুরির মডেল হিসেবে আখ্যায়িত করেন। 

    বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের অবস্থান

    বিরোধীদের এত অভিযোগের পরও বিজেপি অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর ইস্তফার দাবিকে আমলে নিচ্ছে না। বিজেপির মুখপাত্র শাহনাজ পুনেওয়ালা পাল্টা দাবি করেছেন, নরেন্দ্র মোদি যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, সে সময় কেন্দ্রে কংগ্রেস সরকার বহুদিন ক্ষমতায় ছিল।

    অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন রাহুলকে তাঁর অভিযোগের সপক্ষে নিয়মানুযায়ী হলফনামা পেশ করতে বলেছিল। রাহুল এখনও তা করেননি। এ অবস্থায় কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, রাহুলের তোলা অভিযোগের কোনো তদন্ত হবে না।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন