মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাংলাদেশ অধ্যায়ের ইতি টেনে আবেগঘন বিদায় বার্তা দিলেন কোচ ক্যাবরেরা ১১ বছরের শিশুর অন্তঃসত্ত্বা ঘটনায় পলাতক মাদ্রাসাশিক্ষক, ফেসবুকে ভিডিওতে নিজেকে নির্দোষ দাবি এভারটনের কাছে ড্র করে শিরোপার সমীকরণে পিছিয়ে গেল ম্যানচেস্টার সিটি, এগিয়ে আর্সেনাল রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা, শিগগিরই আসতে পারে নতুন সূচি বিজেপির উত্থান, মমতার দুর্গে ফাটল সংগ্রাম থেকে শাসনক্ষমতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উত্থানের গল্প একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় রিট শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারক প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রাজনৈতিক ইতিহাসে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমবারের মতো সরকার গঠনের পথে বিজেপি
  • পাকিস্তানে বন্যার তাণ্ডব,নববধূর পরিবারের ২৪ জন নিহত

    পাকিস্তানে বন্যার তাণ্ডব,নববধূর পরিবারের ২৪ জন নিহত
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বিয়ের মাত্র দুই দিন আগে নূর মুহাম্মদ তার মায়ের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে ফোনে কথা বলেছিলেন। কিন্তু এর কয়েক ঘন্টার মধ্যে পাকিস্তানের কাদির নগর গ্রামে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় তার মা এবং পরিবারের ২৩ জন সদস্য ও স্বজনের প্রাণহানি ঘটে।

    ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে নূর মুহাম্মদ বলেন, "আমি বোঝাতে পারব না কতটা খুশি ছিলেন তিনি। সেই আনন্দের মুহূর্ত যেন এক মুহূর্তের মধ্যে কষ্টে পরিণত হলো।"

    স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, কাদির নগরের ওই এলাকায় বন্যা প্রচণ্ড তীব্রতার কারণে একাধিক বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং অনেক মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নূর মুহাম্মদের পরিবারও এই বন্যার তাণ্ডবের অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিবর্তিত আবহাওয়া এবং অতিবৃষ্টি পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে এমন আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি করছে।

    ৩৬ কক্ষবিশিষ্ট বিশাল একটি বাড়ির ধ্বংসস্তূপের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ছেলের বিয়ের খুশিতে আত্মহারা ছিলেন নূর মুহাম্মদের মা। কিন্তু বন্যায় তাদের সব স্বপ্ন নিমেষেই ছাই হয়ে গেছে।

    পাহাড়ি বুনের জেলার এই গ্রামটি সাম্প্রতিক সময়ে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজধানী ইসলামাবাদ থেকে বুনের শহরে যেতে প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টার মতে লাগে।

    ২৫ বছর বয়সী নূর মুহাম্মদ কাঁদতে কাঁদতে বলেন, সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। যখন তিনি বাড়ি ফিরে আসেন, তখন ধ্বংসস্তূপ এবং ভারী পাথর ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না।

    তিনি বলেন, বন্যা এলো। এক বিরাট বন্যা এলো যা সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে গেল। আমাদের বাড়ি, মা, বোন, ভাই, আমার কাকা, দাদা এবং ছোট ছোট শিশুরাও প্রাণ হারিয়েছে।

    নূর মুহাম্মদ মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। গত ‌(১৫ আগস্ট) তিনি মালয়েশিয়া থেকে বাড়ি ফেরার জন্য ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে নামেন। তার বাড়িতে পুরোদমে বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু বিয়ের অনুষ্ঠানের বদলে তাকে তার স্বজনদের জানাজায় অংশ নিতে হয়।

    তিনি বলেন, তার মা, এক ভাই এবং এক বোন বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন। সৌভাগ্যক্রমে তার বাবা এবং আরেক ভাই বেঁচে গেছেন কারণ তারা তাকে বিমানবন্দরে নিতে গিয়েছিলেন। তার বাগদত্তাও ভয়াবহ এই দুর্যোগ থেকে বেঁচে গেছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ