মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ১১ বছরের শিশুর অন্তঃসত্ত্বা ঘটনায় পলাতক মাদ্রাসাশিক্ষক, ফেসবুকে ভিডিওতে নিজেকে নির্দোষ দাবি এভারটনের কাছে ড্র করে শিরোপার সমীকরণে পিছিয়ে গেল ম্যানচেস্টার সিটি, এগিয়ে আর্সেনাল রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা, শিগগিরই আসতে পারে নতুন সূচি বিজেপির উত্থান, মমতার দুর্গে ফাটল সংগ্রাম থেকে শাসনক্ষমতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উত্থানের গল্প একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় রিট শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারক প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রাজনৈতিক ইতিহাসে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমবারের মতো সরকার গঠনের পথে বিজেপি শেয়ারবাজারে অচলাবস্থা কাটাতে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দাবি ডিবিএ’র
  • কেরালা নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন মুসলিম তরুণী ফাতিমা তাহিলিয়া

    কেরালা নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন মুসলিম তরুণী ফাতিমা তাহিলিয়া
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কেরালার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের ইতিহাস গড়েছেন ৩৪ বছর বয়সী তরুণী আইনজীবী ফাতিমা তাহিলিয়া। বাম ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পেরাম্ব্রা আসনে জয়ী হয়ে তিনি ভারতীয় ইউনিয়ন মুসলিম লীগের (আইইউএমএল) প্রথম নারী প্রার্থী হিসেবে রাজ্য বিধানসভায় নির্বাচিত হওয়ার নজির স্থাপন করেছেন।

    এই আসনে তিনি সিপিআই(এম)-এর জ্যেষ্ঠ নেতা ও এলডিএফ কনভেনর টি.পি. রামকৃষ্ণনকে পরাজিত করেন। ফাতিমা মোট ৮১ হাজার ৪২৯ ভোট পেয়ে ৫ হাজার ৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।

    মঙ্গলবার (৫ মে) দ্য উইক-এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল এলডিএফের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে এসেছে। কারণ ২০২১ সালের নির্বাচনে একই আসনে রামকৃষ্ণন ২২ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন।

    ফাতিমার এই জয় মালাবার অঞ্চলের ভোটার আচরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি মুসলিম তরুণীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণেও এটি নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আইইউএমএলের জন্যও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, কারণ দলটি ইতিহাসে খুব কম নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছে এবং আগের দু’বারের প্রচেষ্টাও সফল হয়নি।

    ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা ফাতিমা দীর্ঘদিন মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের (এমএসএফ) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি নারী সংগঠন ‘হারিতা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সাল থেকে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে রয়েছেন।

    নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করেন এবং প্রবীণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেন। গত ৩১ মার্চ পেরাম্ব্রায় তার পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেন রাহুল গান্ধী।

    আইন পেশায় যুক্ত ফাতিমা কোঝিকোড জেলা আদালতে কর্মরত আছেন। তিনি ত্রিশূরের সরকারি আইন কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর আগে ২০২০ সালে তিনি কোঝিকোড সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

    সামাজিক সংস্কার ও নারী অধিকারের পক্ষে সক্রিয় ফাতিমা বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং নারীর শিক্ষার অধিকার নিয়ে কাজ করেন। হিজাবকে ব্যক্তিগত পরিচয়ের অংশ হিসেবে রক্ষা করার পক্ষেও তিনি সোচ্চার ছিলেন।

    অভিজ্ঞতার অভাব নিয়ে দলের ভেতরে সমালোচনার মুখে পড়লেও তিনি নিজের অবস্থানে অটল ছিলেন। এর আগে এমএসএফের একটি পদ থেকে বহিষ্কার হওয়ার পর তিনি সংগঠনের ভেতরে নারীদের প্রতি বৈষম্য ও অনিয়মের অভিযোগ তোলেন এবং বিষয়টি নিয়ে রাজ্য মহিলা কমিশনে অভিযোগও দায়ের করেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন