মহানগর উত্তর ছাত্রদলের নেতৃত্বে চুয়াডাঙ্গার উজ্জ্বল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ঢাকা মহানগর উত্তরের আংশিক কমিটি গত শনিবার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের যৌথ স্বাক্ষরিত এই কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জুলাই ছাত্র আন্দোলনের রাজপথের লড়াকু সৈনিক আতিকুর রহমান উজ্জল।
চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর থানার কাশিপুর মাঠপাড়া গ্রামের সন্তান এবং জনাব আবুল প্রধানের সুযোগ্য পুত্র আতিকুর রহমান উজ্জল একজন নিবেদিতপ্রাণ ছাত্রনেতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে সক্রিয় রয়েছেন। শিক্ষাজীবনে তিনি রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সফলতার সাথে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন।
আতিকুর রহমান উজ্জলের রাজনৈতিক পথচলা ছিল কণ্টকাকীর্ণ ও ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল। এর আগে তিনি সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাকে মোট ৫টি মামলার আসামী হতে হয়েছে এবং তিন দফায় ৪ মাস কারাভোগ করতে হয়েছে। এমনকি মিথ্যা মামলায় তাকে ২ বছর ৬ মাসের সাজাও ভোগ করতে হয়। তবুও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে তিনি ছিলেন সম্মুখসারির যোদ্ধা।
রাজধানীর নতুন বাজার থেকে শুরু করে মালিবাগ আবুল হোটেল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি গুলিবিদ্ধ হন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথ আঁকড়ে পড়ে থাকা এই নেতার অসামান্য ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে মহানগর উত্তরের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন করা হয়েছে।
নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর আতিকুর রহমান উজ্জল জানান, দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং ছাত্রদলকে একটি সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী সংগঠনে রূপান্তর করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন। জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তিনি নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তার এই সাফল্যে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদল এবং তার নিজ জেলা চুয়াডাঙ্গার নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা মনে করছেন, উজ্জলের মতো পরীক্ষিত ও সাহসী বীরের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল আগামী দিনে এক অপরাজেয় শক্তিতে পরিণত হবে।