বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নির্ভুল তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার সময়মতো খেলা শুরু নিয়ে অনিশ্চয়তা দেশজুড়ে মৌলিক সুবিধা বিস্তারের পরিকল্পনা সরকারের হজে গিয়ে আরও এক মৃত্যু, সৌদিতে পৌঁছেছেন ৩৮,২০৭ যাত্রী পদত্যাগের পরও ৬ মাস ভিভিআইপি থাকবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী-প্রধান উপদেষ্টা স্বর্ণার ফিফটির পরও জয় হাতছাড়া বাংলাদেশের ভারতীয় ভিসা জটিলতা কমবে শিগগিরই: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বার খুলল, রূপপুরে ফুয়েল লোডিং শুরু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি এনসিপি নেতা সারজিস আলম মোহাম্মদপুরে গ্যাং সহিংসতা, আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে বাড়ছে হত্যাকাণ্ড
  • অস্ত্র-ড্রোন উদ্ধার: ‘উগ্রবাদী’ সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেফতার

    অস্ত্র-ড্রোন উদ্ধার: ‘উগ্রবাদী’ সংগঠনের ৪ সদস্য গ্রেফতার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর ও কেরাণীগঞ্জে পৃথক অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও আধুনিক ড্রোনসহ নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠনের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ডিবির দাবি, গ্রেপ্তারকৃতরা রাজধানীতে বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও গুপ্ত হামলার পরিকল্পনা করছিল।

    মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল, ২০২৬) ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত ডিবি রমনা বিভাগের একটি বিশেষ দল এই ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:

    মো. ইমরান চৌধুরী (২৯): গ্রেপ্তার হন কামরাঙ্গীরচরের কয়লাঘাট এলাকা থেকে।

    মো. মোস্তাকিম চৌধুরী (২৫): গ্রেপ্তার হন কেরাণীগঞ্জের জিয়ানগর এলাকা থেকে।

    রিপন হোসেন শেখ (২৮) ও আবু বক্কর (২৫): গ্রেপ্তার হন কামরাঙ্গীরচরের রসুলপুর শিকসন ব্রিজ এলাকা থেকে।

    বুধবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র অভিযানের এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    উগ্রবাদীদের আস্তানা থেকে পুলিশ বেশ কিছু অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও মারণাস্ত্র উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:

    একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ওয়ান শ্যুটারগান।

    ১৪ রাউন্ড তাজা গুলি ও তিনটি গুলির খোসা।

    নজরদারির জন্য ব্যবহৃত একটি আধুনিক ড্রোন ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম।

    একটি মেটাল ডিটেক্টর, একাধিক স্মার্টফোন এবং উগ্রবাদী মতাদর্শের বই ও লিফলেট।

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে গ্রেপ্তারকৃতরা নিষিদ্ধ উগ্রবাদী সংগঠন ‘আকসা’-র সক্রিয় সদস্য। তারা রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা ও নাশকতার উদ্দেশ্যে তথ্য সংগ্রহ করছিল। নজরদারি চালানোর জন্যই তারা ড্রোন এবং মেটাল ডিটেক্টর সংগ্রহ করে সংঘবদ্ধ হচ্ছিল। বড় ধরনের কোনো অপতৎপরতা শুরুর আগেই গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এই চক্রের সাথে আরও কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে ডিবি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন