বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নেটদুনিয়ায় আলোচনায় তানিয়া মিশ্রা, জানুন তার পরিচয় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে চেহারা, নাকি ব্যক্তিত্ব-কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনকল্যাণে এআই ও সেমিকন্ডাক্টরে গবেষণার আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা
  • দীর্ঘ ৩৭ বছর পর আবারও ইংলিশ চ্যানেলে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

    দীর্ঘ ৩৭ বছর পর আবারও ইংলিশ চ্যানেলে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন বহু সাঁতারুর মনেই বাস করে। সেই সাহসিক অভিযানে এবার নামতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের দুই সাঁতারু—মাহফিজুর রহমান সাগর ও নাজমুল হক হিমেল। আটলান্টিক মহাসাগরের এই ঐতিহাসিক জলপথ অতিক্রম করার লক্ষ্য নিয়ে আগামী ৭ জুলাই যুক্তরাজ্যে রওনা দেবেন তারা।

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার আগে তারা ব্রিটেনে গিয়ে অন্তত ১০ দিন নিবিড় প্রস্তুতি ও অনুশীলন করবেন, যাতে নিজেদের মানসিক ও শারীরিকভাবে অভিযানের জন্য প্রস্তুত করতে পারেন।

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার মতো দুঃসাহসিক অভিযানে নামছেন বাংলাদেশের দুই সাঁতারু—মাহফিজুর রহমান সাগর ও নাজমুল হক হিমেল। মঙ্গলবার বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ৩৭তম জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতারের সংবাদ সম্মেলনে এই খবরটি জানান বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শাহীন।

    এর আগে মাত্র তিনজন বাংলাদেশি সাঁতারু ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছেন। ইতিহাস গড়েছিলেন ব্রজেন দাস, যিনি ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত ছয়বার চ্যানেলটি অতিক্রম করেছিলেন এবং তখনকার দ্রুততম সময়ে পার হওয়ার রেকর্ডও গড়েছিলেন। এরপর ১৯৬৫ সালে আবদুল মালেক ও ১৯৮৭ সালে মোশাররফ হোসেন এই জলপথ পার হন।

    দুই বারের অলিম্পিয়ান সাগর দীর্ঘদিন ধরেই ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার সময়স্লট খুঁজছিলেন। সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন প্রবাসী সাঁতারু নাজমুল হক হিমেলকে, যিনি বর্তমানে চীনে অবস্থান করছেন। হিমেল এই সুযোগ পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, “প্রায় ৩৭ বছর পর আমরা দু’জন বাংলাদেশি সাঁতারু আবার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে যাচ্ছি। এটা নিঃসন্দেহে একটি গর্বের বিষয় এবং নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা।”

    এই অভিযানে রয়েছে অনেক ঝুঁকি। সেখানকার পানিতে জেলিফিশের উপস্থিতি এবং ১৫ থেকে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সাঁতারুদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে হিমেল জানিয়েছেন, “চীনে আমি ১৯ ডিগ্রিতে সাঁতার কেটেছি। খুব একটা সমস্যা হয়নি। তবে ১৫ ডিগ্রি হলে সেটা অবশ্যই কঠিন হবে।”

    ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে একজন সাঁতারুর প্রায় ১০ লাখ টাকা খরচ হয়। তবে বাংলাদেশ সাঁতার ফেডারেশন থেকে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    মূলত ২০২৮ সালের আগ পর্যন্ত কোনো স্লট না পেলেও, কলকাতার দুই সাঁতারুর সহায়তায় এবারই সেই সুযোগ তৈরি হয়েছে। আগামী ৭ জুলাই যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন সাগর ও হিমেল। সেখানে গিয়ে অন্তত ১০ দিন নিবিড়ভাবে অনুশীলন করবেন, এরপর নামবেন চ্যানেল পাড়ি দেওয়ার সেই রোমাঞ্চকর অভিযানে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ