যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদন কঠিন হচ্ছে? নতুন নীতিতে কী কী বদলাল

২০২৬ সালের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে, যার ফলে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াগত কড়াকড়ি বেড়েছে। নতুন নির্দেশনার আওতায় কিছু ভিসা ক্যাটাগরিতে অতিরিক্ত যাচাই-বাছাই যুক্ত হওয়ায় আবেদন নিষ্পত্তির সময় আগের তুলনায় বেশি লাগতে পারে।
ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন পরিবারভিত্তিক অভিবাসন, কর্মসংস্থানভিত্তিক স্থায়ী বসবাস, গ্রিন কার্ড এবং ডাইভারসিটি ভিসা প্রক্রিয়ায় মূলত প্রশাসনিক পরিবর্তন ও বাড়তি স্ক্রুটিনি দেখা যাচ্ছে। এতে আবেদন নিষ্পত্তি বিলম্বিত হতে পারে, তবে এসব ভিসা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হয়নি।
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে নির্ধারিত ক্যাটাগরির সাক্ষাৎকার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে সাক্ষাৎকার শেষে ভিসা অনুমোদন ও ইস্যুর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাই বা সময়ক্ষেপণ হতে পারে।
অন্যদিকে ট্যুরিস্ট ও ব্যবসায়িক ভিসা কার্যক্রম এখনো চালু আছে। কিছু ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তারা আবেদনকারীর আর্থিক সক্ষমতা বা অতিরিক্ত নথিপত্রের প্রমাণ চাইতে পারেন, এমনকি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ভিসা বন্ডের মতো শর্তও আরোপ হতে পারে।
স্টুডেন্ট ভিসা এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাও চালু রয়েছে। তবে নিরাপত্তা যাচাই, স্পনসরশিপ তথ্য এবং আর্থিক সক্ষমতা মূল্যায়নের প্রক্রিয়া আরও কঠোর হওয়ায় আবেদন প্রক্রিয়ার সময় বেড়েছে।
সব ধরনের ভিসা আবেদন এখন আগের মতোই অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে আবেদনপত্রে ভুল তথ্য, অসম্পূর্ণ নথি বা নির্ধারিত সময়ে আপডেট না থাকলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সামগ্রিকভাবে, নতুন নীতির ফলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ও গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের ওপর। অন্যদিকে পর্যটন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসা চালু থাকলেও আবেদনকারীদের জন্য যাচাই-বাছাই ও প্রক্রিয়াগত কঠোরতা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে।