অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্নদের মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদেরও সমাজের অন্য সবার মতো পূর্ণ মর্যাদা ও সমান অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৩ মে) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন মানুষদের যথাযথ পরিচর্যা ও সহায়তার মাধ্যমে সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার বিকল্প নেই। তিনি এ বছরের প্রতিপাদ্য—‘অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়, প্রতিটি জীবন মূল্যবান’—কে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগকে তিনি স্বাগত জানান।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তি, তাদের পরিবার, চিকিৎসক, থেরাপিস্ট, সহায়ক প্রযুক্তি উদ্ভাবক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি শুভেচ্ছা জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক শিশু ও মানুষ অটিজম এবং অন্যান্য স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। এ বাস্তবতায় বর্তমান সরকার একটি বৈষম্যহীন, মানবিক ও জনগণকেন্দ্রিক সমাজ গঠনে কাজ করছে।
সরকার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায় যেখানে প্রতিটি মানুষ তার সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে নিজের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা, সামাজিক সক্ষমতা ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, খেলাধুলায় আগ্রহী অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ইতোমধ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষকে প্যারা-অলিম্পিকে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে সরকার কাজ করছে।
বাণীর শেষে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি শুভেচ্ছা জানান।