মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ১১ বছরের শিশুর অন্তঃসত্ত্বা ঘটনায় পলাতক মাদ্রাসাশিক্ষক, ফেসবুকে ভিডিওতে নিজেকে নির্দোষ দাবি এভারটনের কাছে ড্র করে শিরোপার সমীকরণে পিছিয়ে গেল ম্যানচেস্টার সিটি, এগিয়ে আর্সেনাল রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ানোর পরিকল্পনা, শিগগিরই আসতে পারে নতুন সূচি বিজেপির উত্থান, মমতার দুর্গে ফাটল সংগ্রাম থেকে শাসনক্ষমতা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক উত্থানের গল্প একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় রিট শুনানি থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারক প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ রাজনৈতিক ইতিহাসে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ত্রয়োদশ সংসদ অধিবেশন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথমবারের মতো সরকার গঠনের পথে বিজেপি শেয়ারবাজারে অচলাবস্থা কাটাতে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দাবি ডিবিএ’র
  • অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ এখন স্কুল পাঠ্যক্রমের অংশ

    অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ এখন স্কুল পাঠ্যক্রমের অংশ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দেশের প্রাথমিক শিক্ষায় দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার নতুন ধারা চালু করেছে উইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও গাইডেন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। মুখস্থনির্ভর প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা থেকে সরে এসে এই দুটি প্রতিষ্ঠান তাদের পাঠ্যক্রমে যুক্ত করেছে অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ (মানসাঙ্ক), যা শিক্ষার্থীদের মানসিক দক্ষতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ জানায়, নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য এই কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা শুধু গণিত শেখে না, বরং দ্রুত চিন্তা করা, বিশ্লেষণ করা এবং সমস্যা সমাধানের দক্ষতাও অর্জন করে।

    তাদের মতে, বর্তমান বিশ্বে গণিতকে কেবল একটি বিষয় হিসেবে নয়, বরং যুক্তিবোধ ও চিন্তাশক্তি গঠনের মাধ্যম হিসেবে দেখা হচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই স্কুল দুটি বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে।

    অ্যাবাকাস ও মেন্টাল ম্যাথ চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বাড়ছে বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

    বাংলাদেশে সাধারণত এই ধরনের প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা কোচিংয়ের প্রয়োজন হয়। তবে এই দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ক্লাসের মধ্যেই আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, ফলে অভিভাবকদের অতিরিক্ত সময় ও খরচ সাশ্রয় হচ্ছে বলে জানা গেছে।

    এছাড়া প্রতিষ্ঠান দুটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামিক মূল্যবোধের সমন্বয়। শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি হিফজুল কুরআন প্রোগ্রাম ও আরবি ভাষা শিক্ষাও চালু রয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের আত্মিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

    কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, ক্যাম্পিং, পাবলিক স্পিকিং, নেতৃত্ব উন্নয়নসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বগুণ বিকাশে কাজ করা হচ্ছে।

    শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    প্রতিষ্ঠান দুটির অধ্যক্ষ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল্লাহ জামান বলেন, “গণিত শুধু সূত্র মুখস্থ করার বিষয় নয়, এটি একটি চিন্তাপ্রক্রিয়া। আমরা এমন প্রজন্ম গড়ে তুলতে চাই, যারা বাস্তব জীবনের সমস্যা সমাধানে সক্ষম হবে।”


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ