শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু স্টয়নিসের ঝড়ে এক ওভারে ৫ ছক্কা, দুঃস্বপ্নের ম্যাচ ইয়ান হল্যান্ডের গুমের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে, ছাড় নয়: মির্জা ফখরুল চীন সফর শেষে আজ রাতে ঢাকায় ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করতে নির্দেশ তারেক-শি বৈঠকে নতুন গতি, বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে ১৭ সমঝোতা সই ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক ও সমবেদনা স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, জনবান্ধব সেবায় জোর সরকারের মাদক প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাজেটে করের বোঝা সাধারণের ওপর, ধনীদের সুবিধা বহাল: সিপিডি বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর
  • গণপূর্তে অভিযোগের ঝড়: তৈমুর আলমকে ঘিরে ‘প্রভাব বলয়’ ও দুর্নীতির অভিযোগ

    গণপূর্তে অভিযোগের ঝড়: তৈমুর আলমকে ঘিরে ‘প্রভাব বলয়’ ও দুর্নীতির অভিযোগ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৪ নম্বর সার্কেলের (ই/এম) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. তৈমুর আলমকে ঘিরে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো দাবি করছে, দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার সুযোগে তিনি একটি শক্তিশালী প্রভাব বলয় গড়ে তুলেছেন, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

    অভিযোগ রয়েছে, দরপত্র প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে পছন্দের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুবিধা দেওয়া হতো। একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বারবার বড় অংকের কাজ পাওয়ায় দপ্তরের ভেতরেও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি, অতিরিক্ত কাজ অনুমোদন এবং দ্রুত বিল পাসের বিনিময়ে কমিশন নেওয়ার বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচিত।

    তৈমুর আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের একটি অংশে তার পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততার কথাও বলা হচ্ছে। বিশেষ করে তার ছোট ভাই অংকুরের নাম ঘিরে নানা অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রশাসনিক প্রভাব ব্যবহার করে বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাকে ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরকারি চাকরির আচরণবিধির পরিপন্থী এবং স্বার্থের সংঘাতের শামিল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, বিগত সময়ে প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তিনি দীর্ঘদিন ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে অবস্থান করেন। বদলি নীতির প্রচলন থাকলেও কৌশলে একই এলাকায় থেকে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলার কথাও শোনা যাচ্ছে, যা কাজ বণ্টন ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তার করত।

    অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে—দরপত্রের শর্ত নির্দিষ্ট পক্ষের অনুকূলে পরিবর্তন, প্রকল্পের ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি, বিল অনুমোদনের বিভিন্ন ধাপে কমিশন গ্রহণ এবং পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ঠিকাদারি কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।

    এ বিষয়ে মো. তৈমুর আলমের বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এসব অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন