সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ভয়াবহ ভূমিকম্পেও অটুট মাতৃত্ব, জীবিত উদ্ধার মা ও শিশু সিটি করপোরেশন বাদে বিরোধী আসনে ২০ কোটি টাকার বরাদ্দ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান আহসান হাবিব চাকরির জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা নয়, কর্মসংস্থান তৈরি করবে তরুণরা: প্রধানমন্ত্রী বরেণ্য শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর হারারে টেস্টে বাংলাদেশের হতাশা, বড় লিড গড়ছে জিম্বাবুয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বছরে একটি গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা আবেদন কঠিন হচ্ছে? নতুন নীতিতে কী কী বদলাল ইসরায়েল কি হারাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নিঃশর্ত সমর্থন? মুস্তাফা মনোয়ারের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার
  • সন্তানকে নেককার হিসেবে গড়তে ইসলামের ৮ নির্দেশনা

    সন্তানকে নেককার হিসেবে গড়তে ইসলামের ৮ নির্দেশনা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    একজন আদর্শ সন্তান কেবল পরিবারের সম্পদ নয়, বরং সমাজের জন্য রহমত। ইসলামে একজন নেককার বা আদর্শ সন্তানের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গুণাবলীর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে একজন আদর্শ সন্তানের ৮টি প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:

    পিতামাতার প্রতি সর্বোচ্চ আনুগত্য
    আদর্শ সন্তানের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য হলো পিতামাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া। তাদের জীবদ্দশায় যেমন সদয় আচরণ করা প্রয়োজন, তেমনি মৃত্যুর পরও তাদের জন্য দোয়া করা জরুরি।

    রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘মানুষ মারা গেলে তার সব আমল বন্ধ হয়ে যায়, কেবল তিনটি ব্যতীত—সদকায়ে জারিয়া, উপকারী জ্ঞান এবং নেককার সন্তান, যে তার জন্য দোয়া করে।’ (সহিহ মুসলিম)

    আল্লাহর প্রতি অবিচল ভালোবাসা
    ঈমানের মূল ভিত্তি হলো আল্লাহকে সবকিছুর চেয়ে বেশি ভালোবাসা। আদর্শ সন্তান তার জীবনের প্রতিটি কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেয়। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘আর যারা ঈমান এনেছে, তারা আল্লাহকে সর্বাধিক ভালোবাসে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৬৫)

    রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহর অনুসরণ
    নিজের প্রাণ ও পরিবারের চেয়েও রাসুল (সা.)-কে বেশি ভালোবাসাই হলো প্রকৃত ঈমানদারের পরিচয়। আদর্শ সন্তান তার জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে সুন্নাহর প্রতিফলন ঘটায়।

    ইবাদতে একনিষ্ঠতা
    নিয়মিত নামাজ, রোজা, জাকাত ও সামর্থ্য অনুযায়ী হজ পালনের মাধ্যমে সে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। রিয়া বা লোকদেখানো ইবাদত থেকে সে সর্বদা নিজেকে দূরে রাখে।

    সুদৃঢ় ঈমান ও আকিদা
    আদর্শ সন্তান কেবল মুখে মুসলিম নয়, বরং অন্তরে আল্লাহ, ফেরেশতা, আসমানি কিতাব, পরকাল ও ভাগ্যের ভালো-মন্দের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস পোষণ করে। এই বিশ্বাসই তাকে বিপথে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।

    উত্তম চরিত্রের অধিকারী হওয়া
    সত্যবাদিতা, আমানতদারি ও নম্রতা হলো একজন নেককার সন্তানের ভূষণ। সে কোনোভাবেই মিথ্যা, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ বা খিয়ানতের মতো মুনাফিকের গুণাবলীতে লিপ্ত হয় না।

    ক্রোধ বা রাগ নিয়ন্ত্রণ
    রাগ মানুষের বিবেককে গ্রাস করে। আদর্শ সন্তান রাগের মাথায় কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেয় না।

    হাদিসে এসেছে, ‘প্রকৃত শক্তিশালী সেই ব্যক্তি, যে রাগের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’ (সহিহ বুখারি)

    বিনয় ও অহংকারমুক্ত জীবন
    অহংকার পতনের মূল। আদর্শ সন্তান সর্বদা বিনয়ী ও নম্র থাকে। কারণ রাসুল (সা.) সতর্ক করেছেন যে, যার অন্তরে সামান্য পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ