শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম

নতুন বছরের শুরুতে মাছের দাম উর্ধ্বমুখী, মুরগি-ডিমে স্বস্তি

নতুন বছরের শুরুতে মাছের দাম উর্ধ্বমুখী, মুরগি-ডিমে স্বস্তি
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

দেশজুড়ে তীব্র শীতের প্রভাব পড়েছে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে। নতুন বছরের শুরুতে মাছের দাম তুলনামূলকভাবে চড়া থাকলেও ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রামপুরা ও বনশ্রী এলাকার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। সাদা ডিমের দাম ১২০–১২৫ টাকা, দেশি হাঁসের ডিম ১৯০–২০০ টাকায়। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৭০–২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস কেজিতে ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১০০ টাকায় মিলছে।

ক্রেতারা বলছেন, মাছের বাজারে দরদাম করার সুযোগ মিলছে না; অন্যদিকে ডিম ও মুরগির দাম কমলেও তা এখনো পুরোপুরি নাগালের মধ্যে আসেনি।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ফার্মের মুরগির এক ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়, যা মাসখানেক আগেও ছিল ১২০ টাকা। সাদা ডিমের ডজন ১২০ থেকে ১২৫ টাকা এবং দেশি হাঁসের ডিম ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি এখন ১৭০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকায় মিলছে। এক সপ্তাহ আগেও মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেশি ছিল। এদিকে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

খামারিরা শীতে রোগবালাইয়ের ঝুঁকি এড়াতে দ্রুত মুরগি বিক্রি করে দেওয়ায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। নতুন বাজারের বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শীতে খামার থেকে দ্রুত মুরগি চলে আসে, চাহিদাও কিছুটা কম থাকে; তাই দাম কিছুটা কম রাখা যায়।’

সবজির দাম ওঠানামা করলেও মাছের দামে খুব একটা পরিবর্তন নেই, এর দাম সব সময় বাড়তিই থেকে যায়। ক্রেতাদের অভিযোগ, পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারে তার প্রভাব পড়ে না। বাজারে প্রতি কেজি কোরাল ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা ও আইড় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিং মাছের দাম কিছুটা কমে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায় নেমেছে।

এছাড়া টেংরা ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, সরপুঁটি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং পাঙাশ ও সিলভার কার্প ১৮০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আকারে বড় চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১২০০ টাকা এবং ছোট চিংড়ি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকা এবং দুই কেজি ওজনের ইলিশ ২৬০০ থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে। মাছ বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলমের ভাষ্য, ‘শীতে নদীতে মাছ কম ধরা পড়ায় আড়তে দাম বাড়তি, যার প্রভাব খুচরা বাজারেও পড়েছে।’

রামপুরা বাজারে মাছ কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আল মামুন বলেন, ‘মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। গত সপ্তাহে যে রুই ৩০০ টাকায় পাওয়া যেত, আজ তা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। তবে মুরগি ও ডিমে কিছুটা স্বস্তি আছে।’

বনশ্রী বাজারের ক্রেতা সেলিম রেজা বলেন, ‘মাছের দাম কমার লক্ষণ নেই। মুরগি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকার মধ্যে থাকলে আমাদের জন্য সুবিধা হতো।’


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন