গ্রিনল্যান্ড ও আইসল্যান্ডের নামকরণের অদ্ভুত ইতিহাস

গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন
পৃথিবীর মানচিত্রে দুটি নাম প্রায়ই মানুষকে বিভ্রান্ত করে—গ্রিনল্যান্ড (Greenland) আর আইসল্যান্ড (Iceland)। নাম শুনে মনে হয়, গ্রিনল্যান্ড হবে সবুজ আর আইসল্যান্ড হবে বরফে ঢাকা। কিন্তু বাস্তব দৃশ্যটা একেবারেই উল্টো। কেন হলো এমন নামকরণ? আসুন জেনে নেই ইতিহাস।
আইসল্যান্ড (Iceland)
- ইতিহাস: ৯ম শতকে নরওয়ের ভাইকিংরা দ্বীপটিতে আসে। প্রথম বসতি স্থাপনকারীদের একজন ফ্লকি ভিলগারদারসন (Flóki Vilgerðarson) দ্বীপে এসে দেখেন তুষার আর বরফে ঢাকা প্রাকৃতিক দৃশ্য।
- তিনি উপকূলে ভেসে আসা বরফখণ্ড (ice floes) দেখে দ্বীপটির নাম রাখেন Ísland (আইসল্যান্ড), যার মানে বরফের দেশ।
- বাস্তবে কিন্তু পুরো দ্বীপ বরফে ঢাকা নয়। বরং দক্ষিণ ও পশ্চিম অংশ অনেকটা সবুজ ও বসবাসযোগ্য।
গ্রিনল্যান্ড (Greenland)
- ইতিহাস: ৯৮২ খ্রিস্টাব্দে আইসল্যান্ড থেকে নির্বাসিত ভাইকিং অভিযাত্রী এরিক দ্য রেড (Erik the Red) প্রথম গ্রিনল্যান্ডে বসতি স্থাপন করেন।
- নতুন উপনিবেশে মানুষ আকর্ষণ করার জন্য তিনি দ্বীপটির নাম দেন Grœnland (অর্থাৎ "সবুজ দেশ")।
- আসলে দ্বীপটির বেশিরভাগ অংশ বরফে ঢাকা, কিন্তু দক্ষিণ উপকূলে কিছু সবুজ অঞ্চল ছিল। তিনি ইতিবাচক ও আকর্ষণীয় নাম দিয়ে মানুষকে সেখানে বসতি স্থাপন করাতে চেয়েছিলেন।
মজার বিষয়
- নামের কারণে অনেক সময় মানুষ বিভ্রান্ত হয়।
- Iceland আসলে তুলনামূলকভাবে বেশি সবুজ, আর Greenland বেশি বরফে ঢাকা।
ইতিহাসবিদরা বলেন, এ নামগুলো আংশিক বাস্তবতা আর আংশিক প্রচারণার ফল।
দৈএনকে/জে .আ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন