শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন, ঠাকুরগাঁওয়ে উল্লাস মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে সালাহউদ্দিন-এ্যানি বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের বিরুদ্ধে জাল বিল-ভাউচার ও দুর্নীতির অভিযোগ
  • ভিসা পেতে ১৮ লাখ টাকার বন্ড! যুক্তরাষ্ট্রের কড়াকড়ি বাড়ছে

    ভিসা পেতে ১৮ লাখ টাকার বন্ড! যুক্তরাষ্ট্রের কড়াকড়ি বাড়ছে
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার অপব্যবহার যুক্তরাষ্ট্রে একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়ম ভেঙে লুকিয়ে পড়া বা থাকার মেয়াদ অতিক্রম করা ব্যক্তিদের সংখ্যা বাড়ায়, এ বিষয়টি দমন করতে আরও কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের পথে হাঁটছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

    দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন একটি পরীক্ষামূলক কর্মসূচির পরিকল্পনা করছে, যার আওতায় কিছু নির্দিষ্ট দেশের পর্যটক ও ব্যবসায়িক ভিসার আবেদনকারীদের জন্য ১৫,০০০ ডলার (প্রায় ১৮ লাখ টাকা) পর্যন্ত বন্ড জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হতে পারে।

    এ প্রস্তাবিত নিয়মটি মূলত সেইসব দেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য হবে যারা পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে এসে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অতিরিক্ত সময় অবস্থান করার প্রবণতা বেশি।

    নতুন নিয়ম ও এর উদ্দেশ্য

    সংবাদমাধ্যম সিএনএন সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই পরিকল্পানি মূলত এমন একটি ব্যবস্থা, যা ভিসা আবেদনকারীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশ ত্যাগ করা নিশ্চিত করবে। যদি কোনো ব্যক্তি তার ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করে, তাহলে তার জমা রাখা বন্ডের সম্পূর্ণ বা আংশিক অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হবে।

    এর মাধ্যমে ভিসা আবেদনকারীদের মধ্যে ভিসার শর্ত মেনে চলার ব্যাপারে সচেতনতা তৈরি করা এবং অতিরিক্ত সময় অবস্থানের প্রবণতা কমানো যাবে বলে মনে করছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

    এই পরীক্ষামূলক প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে ১২ মাসের জন্য চালু করা হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমে অভিবাসন নীতির কার্যকারিতা বাড়াতে চাইছে। যেসব দেশের নাগরিকরা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে থেকে যায়, তাদের জন্য এই নতুন নিয়ম চাপ তৈরি করবে।

    প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব

    এই প্রস্তাবটি যদি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়, তবে এটি কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য মার্কিন ভিসা প্রাপ্তি আরও কঠিন করে তুলবে। বিশেষ করে যারা উচ্চ আর্থিক সক্ষমতা সম্পন্ন নন, তাদের জন্য এই পরিমাণ অর্থ বন্ড হিসেবে জমা দেওয়া প্রায় অসম্ভব হতে পারে। ফলে, বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সুযোগ সীমিত হয়ে আসতে পারে।

    এই প্রস্তাবের পক্ষে এবং বিপক্ষে নানা মহলে আলোচনা চলছে। সমর্থকরা বলছেন, এটি মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করবে। অন্যদিকে, বিরোধীরা বলছেন, এটি একটি বৈষম্যমূলক নীতি এবং এর মাধ্যমে দরিদ্র বা মধ্যবিত্ত দেশগুলোর নাগরিকদের প্রতি অবিচার করা হবে। তাদের মতে, এটি ভিসা নীতিকে আরও কঠোর ও অমানবিক করে তুলবে।

    বর্তমানে এই প্রস্তাবটি পর্যালোচনা ও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। তবে এটি কার্যকর হলে তা আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও অভিবাসন নীতির ওপর একটি বড় প্রভাব ফেলবে।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন