শপিংমল রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের

ঈদুল আজহার আগে ক্রেতাদের কেনাকাটার সুবিধার্থে শপিংমল বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমিতি। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠিও দিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (২ মে) সংগঠনের সভাপতি নাজমুল হাসান মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপুর স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ প্রস্তাব জানানো হয়।
রোববার (৩ মে) সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান টিপু বলেন, “আমরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছি। সেখানে ঈদের আগে ক্রেতাদের সুবিধার জন্য শপিংমল বন্ধের সময় রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানোর আবেদন করেছি। প্রয়োজনে সকাল ৯টার পরিবর্তে ১১টা থেকে শপিংমল খোলার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।”
চিঠিতে বলা হয়, সম্প্রতি শপিংমলগুলো সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের কারণে দেশের হাজারো ব্যবসায়ী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। অফিস শেষে সাধারণত ক্রেতারা সন্ধ্যার পর কেনাকাটা করেন, কিন্তু সময় কম থাকায় বিক্রি কমে যাচ্ছে।
সংগঠনটি জানায়, বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা বেকারত্ব বাড়াবে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ব্যবসা কমে যাওয়ায় সরকারের ভ্যাট ও ট্যাক্স আদায়ও কমে যেতে পারে, যা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ব্যবসায়ী সমিতির দাবি, সন্ধ্যার পর কিছু অননুমোদিত ও ভ্যানভিত্তিক ব্যবসা অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করে চালু থাকে, ফলে নিয়মিত ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
তারা আরও জানিয়েছে, ব্যবসায়ীরা সরকার নির্ধারিত আইন ও নীতিমালা মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।
সবশেষে সংগঠনটি অনুরোধ জানিয়েছে, ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতা-বিক্রেতার সুবিধা ও অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় শপিংমল বন্ধের সময় অন্তত রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানো হোক।