১৮ উইকেট পড়লেও উইকেটকে দোষ দিচ্ছেন না স্টার্ক

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনেই পতন হয়েছে ১৮ উইকেটের। এমন ব্যাটিং-বোলিংয়ের পর উইকেটের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক মনে করেন, উইকেট খারাপ ছিল না; বরং দুই দলের বোলারদের কার্যকর বোলিংয়েই এত দ্রুত উইকেট পড়েছে।
দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে স্টার্ক বলেন, এক দিনে ১৮ উইকেট পড়েছে বলেই উইকেটকে খারাপ বলা ঠিক হবে না। তার মতে, প্রথম দিনে উইকেট বেশ ভালোই ছিল এবং ব্রিসবেনের গ্যাবা স্টেডিয়ামের উইকেটের মতোই আচরণ করেছে।
স্টার্ক বলেন, প্রথম দিনে গ্যাবার উইকেটে যেমন টেনিস বলের মতো কিছুটা বাড়তি বাউন্স পাওয়া যায়, এখানেও তেমনটাই দেখা গেছে। দিনের শেষ দিকে এবং পরদিন উইকেট আরও দ্রুতগতির হয়ে উঠতে পারে বলেও মনে করছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার এই পেসার বলেন, বলের শক্ত ভাব কিছুটা কমে গেলে সোজা ব্যাটে খেলা সহজ হতে পারে। তবে প্রথম দিনজুড়েই বল সুইং করেছে। তাই ১৮ উইকেট পড়ার পেছনে উইকেটের চেয়ে ভালো বোলিংয়ের প্রভাবই বেশি বলে মনে করেন তিনি।
পেসাররা উইকেট থেকে বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন উল্লেখ করে স্টার্ক বলেন, ব্যাটাররা ধৈর্য ধরে খেলছিলেন। তাই অস্ট্রেলিয়ার বোলাররা ড্রাইভের সুযোগ দেওয়ার ঝুঁকি নিয়েও বল ফুল লেংথে রেখে সুইং করানোর চেষ্টা করেছেন। এতে স্টাম্প ও ব্যাটের কানায় বল লাগার সম্ভাবনা বেড়েছে।
তিনি আরও বলেন, আগের টেস্টের তুলনায় অস্ট্রেলিয়াকে খুব বেশি কৌশল পরিবর্তন করতে হয়নি। বাংলাদেশের ব্যাটাররা ধৈর্য ধরে খেলবেন এবং বাইরের বল ছেড়ে দেবেন—এটা তারা আগেই জানতেন। তবে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনের উইকেটে আগের ম্যাচের তুলনায় বোলারদের জন্য বেশি সহায়তা ছিল।
ক্যাচিংয়েও নিজেদের সাফল্যের কথা তুলে ধরে স্টার্ক বলেন, অস্ট্রেলিয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ নিয়েছে এবং সেই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে দ্রুত উইকেট তুলে নিয়েছে।
দিনের শেষ দুই ওভারেও বল সুইং করতে দেখা গেছে জানিয়ে স্টার্ক বলেন, বল যখন সোজা পথে না গিয়ে মুভ করে, তখন ব্যাটারদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে যায়। তবে উইকেটের কন্ডিশন নাকি বোলারদের দক্ষতা—কোনটি বেশি ভূমিকা রেখেছে, তা আলাদা করে বলা কঠিন।