বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj

রাশিয়া ও কানাডা থেকে ৭৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন

রাশিয়া ও কানাডা থেকে ৭৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

দেশের কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে রাশিয়া ও কানাডা থেকে মোট ৭৫ হাজার মেট্রিক টন মিউরেট-অব-পটাশ (এমওপি) সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকার। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় এ সার আমদানিতে মোট ব্যয় হবে ৩৫১ কোটি ২৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দুটি পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান জেএসসি ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রডইন্টর্গ)’ থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানি করবে বাংলাদেশ। এ চালানের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬৩ কোটি ৯২ লাখ ২৫ হাজার টাকা, যা প্রায় ১ কোটি ৩৩ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ। প্রতি টন সারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮০ মার্কিন ডলার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও রাশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় চুক্তির কার্যক্রম শেষ হওয়ায় গত ২৪ মে চুক্তিটি নবায়ন করা হয়। নবায়িত চুক্তির আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চালান হিসেবে এই ৩৫ হাজার টন সার আমদানি করা হবে।

এছাড়া একই বৈঠকে কানাডা থেকে আরও ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৮৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বা প্রায় ১ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলার। এখানেও প্রতি টন সারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৮০ মার্কিন ডলার।

বিএডিসি সূত্রে জানা গেছে, কানাডার সঙ্গে বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইতোমধ্যে ৪ লাখ টন এমওপি সার আমদানি সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তির আওতায় আরও তিনটি ঐচ্ছিক চালান আমদানির সুযোগ রয়েছে। এবার সেই ধারাবাহিকতায় প্রথম ঐচ্ছিক চালান হিসেবে ৪০ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের মতে, সময়মতো সার আমদানি নিশ্চিত হলে কৃষকদের কাছে প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ বজায় থাকবে এবং দেশের কৃষি উৎপাদন কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখা সম্ভব হবে।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন