মুস্তাফিজের এমন বোলিং অপ্রত্যাশিত, মোসাদ্দেককে ব্যবহার করা উচিত ছিল: সুজন

এশিয়ান গেমসের ক্রিকেটে প্রত্যাশিত ফল পায়নি বাংলাদেশ। দুই ম্যাচেই ব্যর্থতার বৃত্তে ছিলেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ করে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এক ওভারে ২৫ রান খরচ করেন তিনি। তার এমন বোলিং পারফরম্যান্সকে অপ্রত্যাশিত বলছেন সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন।
জাপানের কন্ডিশনে মুস্তাফিজের কাছ থেকে আরও ভালো বোলিং প্রত্যাশা করেছিলেন সুজন। তার মতে, ওই ধরনের উইকেটে মুস্তাফিজের এত রান খরচ করা ছিল বিস্ময়কর।
সুজন বলেন, ‘খুব অপ্রত্যাশিত যে মুস্তাফিজ ভালো করেনি। ওই রকম উইকেটে মুস্তাফিজ এত রান দিয়েছে, বিষয়টি সত্যিই অবিশ্বাস্য। তবে ক্রিকেটে এমন হতেই পারে।’
বাংলাদেশের বোলিং পরিকল্পনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সুজন। বিশেষ করে অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেনকে বোলিংয়ে না আনার বিষয়টি তাকে অবাক করেছে।
তিনি বলেন, ‘আমি জানি না মোসাদ্দেক কেন বল করেনি। এই উইকেটে মোসাদ্দেক কার্যকর হতে পারত। এই ফরম্যাটে সে ভালো বোলিং করে। অথচ তাকে দিয়ে এক ওভারও করানো হয়নি। বিষয়টি দেখে আমি কিছুটা অবাক হয়েছি।’
সুজনের মতে, মোসাদ্দেককে বোলিংয়ে আনা হলে বাংলাদেশ ম্যাচে বাড়তি সুবিধা পেতে পারত।
এদিকে ব্যাটিং ব্যর্থতাকেও বাংলাদেশের হারের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সুজন। তার মতে, দলের শীর্ষ সারির একাধিক ব্যাটার রান না পাওয়ায় বড় লক্ষ্য তাড়া করা কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, ‘সাইফ, তামিম, হৃদয়, লিটন—তাদের কেউই রান করেনি। চারজন প্রথম সারির ব্যাটার রান না করলে এই ফরম্যাটে ১৬৫ রান তাড়া করা খুব কঠিন। শুরুতেই উইকেট হারানোর কারণে ম্যাচটা আমাদের হাতছাড়া হয়েছে।’
শ্রীলঙ্কার পূর্ণশক্তির দল না থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেন সুজন। তার মতে, তুলনামূলক শক্তিশালী দল নিয়ে খেলেও বাংলাদেশ প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেনি, যা হতাশার।
সুজন বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার তো পূর্ণ শক্তির দল ছিল না। আমাদের দলও যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। তারপরও আমরা ভালো করতে পারিনি। এটা অবশ্যই আমাদের জন্য কষ্টের বিষয়।’