শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ঢাকায় ভারতের শীর্ষ কূটনীতিক দীনেশ ত্রিবেদীর মর্যাদা বাড়াল ভারত সরকার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য বাড়াতে হবে আন্তর্জাতিক সহায়তা: জাতিসংঘে বাংলাদেশ সমীকরণ মিললেই সেমিফাইনালে মুখোমুখি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা নতুন লুকে আলোড়ন তুললেন টম ক্রুজ দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে জরুরি অবস্থার মুখে ভেনেজুয়েলা বেইজিং বিনিয়োগ ফোরামে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা, চীনে খুলছে বিনিয়োগ কার্যালয় আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সম্মেলনে অংশ নিতে আজ রাতেই ঢাকা ছাড়ছেন বিএনপি প্রতিনিধি দল রাজকীয় প্রত্যাবর্তনে নেইমার, দাপুটে জয়ে শেষ ষোলোয় ব্রাজিল বেইজিংয়ে প্রথম সমঝোতা স্মারকে সই করল বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টি আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ নাসুমের, এগিয়েছেন হৃদয়-সাইফও
  • দীর্ঘ বিতর্কের পর এপস্টেইন প্রসঙ্গে নীরবতা ভাঙলেন বিল গেটস

    দীর্ঘ বিতর্কের পর এপস্টেইন প্রসঙ্গে নীরবতা ভাঙলেন বিল গেটস
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস যৌন অপরাধে দণ্ডিত জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে প্রথমবারের মতো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও কোনো ধরনের যৌন অপরাধ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রত্যক্ষ করেননি।

    মঙ্গলবার (২৩ জুন) প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নজরদারি কমিটির গোপন জিজ্ঞাসাবাদের নথিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন।

    জিজ্ঞাসাবাদে বিল গেটস বলেন, এপস্টেইনের সঙ্গে তার সম্পর্ক মূলত জনকল্যাণমূলক ও পেশাগত উদ্দেশ্যে গড়ে উঠেছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন খাতে অর্থায়নের সম্ভাবনা নিয়েই তাদের যোগাযোগ শুরু হয়।

    তিনি বলেন, “আমি কখনো কোনো যৌন অপরাধে অংশ নিইনি এবং এমন কোনো ঘটনা প্রত্যক্ষও করিনি।”

    তবে তদন্তকারীরা উল্লেখ করেন, এপস্টেইনের আশপাশে থাকা কিছু কর্মীও পরবর্তীতে নির্যাতনের শিকার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। ফলে গেটস কখনো ভুক্তভোগীদের সংস্পর্শে আসেননি—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া কঠিন।

    এ প্রসঙ্গে গেটস বলেন, “এটা যৌক্তিক মন্তব্য। আমি একবার একটি বৈঠকের শেষে কিছু নারী কর্মীকে দেখেছিলাম। কিন্তু তারা ভুক্তভোগী ছিলেন কি না, সে বিষয়ে আমার কোনো ধারণা ছিল না।”

    বিল গেটস জানান, ২০১১ সালে এপস্টেইনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তখন তিনি জানতেন যে এপস্টেইন অতীতে যৌন অপরাধের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন। তবুও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতে অর্থায়নের সম্ভাব্য সহযোগিতার কারণে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন।

    তবে পরে এই সিদ্ধান্তের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেন গেটস।

    তার ভাষায়, “এপস্টেইনের অতীত সম্পর্কে আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। এখন মনে হয়, তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা ভুল ছিল।”

    জিজ্ঞাসাবাদে গেটস আরও জানান, ২০১৪ সালে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর এপস্টেইন তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিলেন।

    গেটসের দাবি, এক নারীর সঙ্গে তার সম্পর্কের বিষয়টি উল্লেখ করে এপস্টেইন অর্থ দাবি করেছিলেন। তবে তিনি কোনো অর্থ পরিশোধ করেননি।

    এদিকে জেফরি এপস্টেইনের দীর্ঘদিনের সহকারী লেসলি গ্রফও কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    গ্রফ এপস্টেইনকে “অত্যন্ত কৌশলী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি” হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, তিনি এপস্টেইনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন না।

    তার দাবি, তিনি মূলত এপস্টেইনের বৈঠক, সফর ও অন্যান্য সময়সূচি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। তবে এসব কার্যক্রমের প্রকৃত উদ্দেশ্য বা অন্তর্নিহিত বিষয় সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেন না।

    জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতাদের সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই বিল গেটস ও লেসলি গ্রফের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।

    তদন্তকারীরা বলছেন, এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক এবং তার সঙ্গে যুক্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে আরও অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ