বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নেটদুনিয়ায় আলোচনায় তানিয়া মিশ্রা, জানুন তার পরিচয় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে চেহারা, নাকি ব্যক্তিত্ব-কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনকল্যাণে এআই ও সেমিকন্ডাক্টরে গবেষণার আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা
  • তিন দিনেই শেষ হবে নাকি পাঁচ দিন, জানেন না কামিন্স

    তিন দিনেই শেষ হবে নাকি পাঁচ দিন, জানেন না কামিন্স
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট। ম্যাচটি কত দিনে শেষ হতে পারে—তিন দিন, নাকি গড়াবে পঞ্চম দিন পর্যন্ত—এমন প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। তার সংক্ষিপ্ত জবাব, ‘কে জানে!’

    বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে দুই দলের প্রস্তুতি ও ডারউইনের কন্ডিশন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কামিন্স জানান, টেস্ট ম্যাচের ফলাফল বা স্থায়িত্ব আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। তাই ম্যাচটি তিন দিনে শেষ হবে নাকি পাঁচ দিন পর্যন্ত চলবে, তা নিয়ে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করতে চাননি তিনি।

    ডারউইনে টেস্ট আয়োজন অস্ট্রেলিয়ার জন্যও বেশ ব্যতিক্রমী। উত্তরাঞ্চলের এই ভেন্যুতে দীর্ঘ বিরতির পর ফিরছে লাল বলের ক্রিকেট। অন্যদিকে বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি আরও বিশেষ। ২০০৩ সালের পর প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ফলে কন্ডিশনের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়াই দুই দলের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

    বাংলাদেশকে সহজ প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন না কামিন্স। বরং দলের কয়েকজন খেলোয়াড়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের খুব বেশি খেলার অভিজ্ঞতা না থাকায় কিছুটা অজানা চ্যালেঞ্জের কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।

    কামিন্স বলেন, বাংলাদেশের দলে বেশ কিছু প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছেন এবং গত কয়েক বছরে তারা বড় কিছু জয়ও পেয়েছে। তাই টেস্টে নামার আগে অস্ট্রেলিয়াকে সতর্ক থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি না, আমি কখনো সহজ কোনো টেস্ট ম্যাচ খেলেছি। তাই নিশ্চিতভাবেই তারা শক্তিশালী হবে। তাদের কয়েকজন খেলোয়াড়কে আমরা আগে খুব বেশি দেখিনি, ফলে টেস্ট ম্যাচে নামার আগে কিছুটা অজানা ব্যাপার থাকবেই। তবে গত কয়েক বছরে তারা বড় কিছু জয় পেয়েছে এবং দলে বেশ কিছু শক্তিশালী প্রতিভা আছে। তাই আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’

    দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে আসায় এমন সিরিজ আরও নিয়মিত আয়োজনের পক্ষে কামিন্স। তার মতে, টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্যই হলো বিভিন্ন দেশের বিপক্ষে খেলা এবং প্রতিটি দলের ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা।

    কামিন্স বলেন, ‘আমরা তাদের কয়েকবার খেলেছি, অবশ্যই আইসিসির ইভেন্টে এবং বাংলাদেশেও। কিন্তু এখানে এত বেশি খেলিনি। বছরের এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় তাদের খেলতে পারাটা দারুণ। আমি চাই এমনটা আরও বেশি হোক।’

    বাংলাদেশের বর্তমান দলকে ঠিক কতটা শক্তিশালী মনে করেন—এমন প্রশ্নে অবশ্য সিরিজ শেষ হওয়ার পর মূল্যায়ন করতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন কামিন্স। তবে আইসিসির টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নামলে অস্ট্রেলিয়ার মতো দলকেও সতর্ক থাকতে হয় বলে জানান তিনি।

    অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের ভাষ্য, ‘নিশ্চিত নই। হয়তো কয়েক সপ্তাহ পর আমাকে জিজ্ঞেস করলে আরও ভালো কিছু বলতে পারব। তবে আইসিসির কোনো ইভেন্টে তাদের বিপক্ষে খেলতে নামলে আপনি বেশ নার্ভাস থাকবেন, কারণ তাদের দলে বড় কিছু খেলোয়াড় আছে।’

    বাংলাদেশের পেসার তাসকিন আহমেদের অনুপস্থিতি অস্ট্রেলিয়ার জন্য বাড়তি সুবিধা কি না জানতে চাইলে কামিন্স সরাসরি বলেন, ‘আসলে না।’

    এদিকে প্রথম টেস্টের একাদশ নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। স্কট বোল্যান্ডের পরিবর্তে জশ ইংলিস খেলবেন বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি। পাশাপাশি চোট কাটিয়ে দলে ফিরছেন অভিজ্ঞ স্পিনার নাথান লায়ন।

    লায়নের প্রত্যাবর্তনকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় স্বস্তি হিসেবে দেখছেন কামিন্স। তার মতে, চোটের পর গত ছয় মাসে লায়ন কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং এখন তিনি পুরোপুরি প্রস্তুত।

    লায়নের প্রশংসা করে কামিন্স বলেন, ‘নাথানকে ফিরে পাওয়া দারুণ ব্যাপার। কয়েক দিন আগে আমি অ্যাডিলেড টেস্টের কিছু ফুটেজ দেখছিলাম, আমার মনে হয়েছে সেটি কয়েক বছরের মধ্যে তার সেরা বোলিং ছিল। তাই চোটটা খুবই খারাপ সময়ে এসেছিল। কিন্তু সে দারুণভাবে ফিরে এসেছে।’

    বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম টেস্ট তাই দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে দীর্ঘ বিরতির পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের প্রত্যাবর্তন, অন্যদিকে ঘরের মাঠে শক্তিশালী দল নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার চ্যালেঞ্জ—সব মিলিয়ে ডারউইনের ম্যাচ ঘিরে ক্রিকেটপ্রেমীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন