শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পুলিশের ৭ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, একদিনে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হলে সংসদের প্রতি আস্থা কমবে: স্পিকার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন তার চুরিতে গ্রেপ্তার ২ আদ-দ্বীন হাসপাতালের অবহেলায় ৬ নবজাতকের মৃত্যু: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডিএসসিসির ৬৩ ওয়ার্ডে মশার উচ্চ ঘনত্ব, ২৭ ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ‘অতি ঝুঁকিতে’ বিএসইসিতে নতুন নেতৃত্ব; চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার বিসিবি নির্বাচন ঘিরে বাংলাদেশে আইসিসি প্রতিনিধি, কারণ জানাল সংস্থা জনগণের আস্থায় বিএনপির জয়, মন্তব্য মির্জা ফখরুলের নেতানিয়াহুকে ‘পাগল’ বলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প
  • ডিএসসিসির ৬৩ ওয়ার্ডে মশার উচ্চ ঘনত্ব, ২৭ ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ‘অতি ঝুঁকিতে’

    ডিএসসিসির ৬৩ ওয়ার্ডে মশার উচ্চ ঘনত্ব, ২৭ ওয়ার্ড ডেঙ্গুর ‘অতি ঝুঁকিতে’
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় মশার ঘনত্ব আশঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে সাম্প্রতিক জরিপে উঠে এসেছে। সংস্থাটির ৭৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৬৩টিতে মশার ঘনত্ব নির্ধারিত নিরাপদ মানের চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ২৭টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    গত ১২ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত ১২ দিনব্যাপী পরিচালিত এ জরিপের ফল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নগরভবনে প্রকাশ করেন ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম।

    জরিপে মোট ২ হাজার ২৩৮টি বাড়ি পরিদর্শন করা হয়, যার মধ্যে ২৮১টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা ও পিউপা পাওয়া গেছে। ভবনের ধরন অনুযায়ী দেখা যায়, বহুতল ভবনে ৩৫.২৩ শতাংশ, স্বতন্ত্র বাড়িতে ২৭.৭৬ শতাংশ, নির্মাণাধীন ভবনে ১৭.৪৪ শতাংশ এবং সেমিপাকা বাড়িতে ১৪.৫৯ শতাংশ লার্ভা শনাক্ত হয়েছে।

    ডিএসসিসির ৭৫টি ওয়ার্ড থেকে প্রতিটি ওয়ার্ডে ৩০টি করে মোট ২ হাজার ২৫০টি বাড়ি নমুনা হিসেবে নেওয়া হয়। সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিচালিত এ জরিপে ডিএসসিসি ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ৩৬ জন মাঠকর্মী অংশ নেন।

    সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগ জানায়, তথ্য সংগ্রহে নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে ‘কবো টুলবক্স’ ব্যবহার করা হয়েছে। জরিপ শেষে ব্রেটো ইনডেক্স, হাউজ ইনডেক্স, কনটেইনার ইনডেক্স ও পিউপা ইনডেক্সের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নির্ধারণ করা হয়।

    এছাড়া মশার প্রজননস্থল হিসেবে প্লাস্টিকের ড্রাম ৮.৮৯ শতাংশ, মেঝেতে জমে থাকা পানি ১২.২৬ শতাংশ এবং বালতিতে জমে থাকা পানি ১০.৩৪ শতাংশ ক্ষেত্রে পাওয়া গেছে।

    ডিএসসিসি জানিয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া কার্যকরভাবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

    এ প্রেক্ষাপটে আগামী ৬ জুন সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা আয়োজন করা হবে। এরপর ৭ জুন থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ২৭টি ওয়ার্ডে পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ ক্র্যাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে। পরবর্তী ধাপে মাঝারি ঝুঁকির বাকি ৩৬টি ওয়ার্ডেও একই ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন