বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • দেশে হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, আরও ৬ শিশুর মৃত্যুতে বাড়ছে আতঙ্ক ভোলায় বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশ–সুইজারল্যান্ড অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ ইরান–যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ফের চরমে, নতুন সংঘাতের শঙ্কা ঘনাচ্ছে এলপি গ্যাসের দামে স্বস্তি, ১২ কেজি সিলিন্ডার কমল ৫৫ টাকা দুই ম্যাচে পরাজয়, তবু আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন জ্যোতি ও তৃষ্ণা নম্বরপ্লেট আড়াল করে এআই নজরদারি এড়ানোর চেষ্টা, শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার খুরশীদ আলম ঋণখেলাপি নন, খেলাপি ঋণ তার স্ত্রীর প্রতিষ্ঠানের: বাংলাদেশ ব্যাংক রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় নরওয়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা চাইল বাংলাদেশ রামিসা হত্যা মামলা: আদালতের অনুমতি ছাড়া আসামির বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
  • রামিসা হত্যা মামলায় নতুন দাবি, ‘ডলার’ নামের অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নিয়ে রহস্য

    রামিসা হত্যা মামলায় নতুন দাবি, ‘ডলার’ নামের অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নিয়ে রহস্য
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলায় আদালতে আসামির নতুন বক্তব্য ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। শুনানিতে আসামি সোহেল রানা দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে তিনি একা নন; বরং ‘ডলার’ নামে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী।

    সোমবার (১ জুন) মামলার চার্জ গঠনের শুনানির সময় কারাগার থেকে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে হাজির করা হয়। ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে তাদের উপস্থিতির পর এ বক্তব্য দেন সোহেল রানা।

    আদালতে তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এ ঘটনায় জড়িত নন এবং তাকে ভুলভাবে আসামি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘ডলার’ নামের এক ব্যক্তি ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তিনিই মূল অপরাধী।

    সোহেলের ভাষায়, তিনি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়ে ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত হন বলেও দাবি করেন। তবে তার বক্তব্যের পক্ষে কোনো প্রমাণ তিনি উপস্থাপন করেননি।

    তিনি আরও দাবি করেন, ডিএনএ পরীক্ষা নিয়েও অসঙ্গতি রয়েছে এবং তদন্তে সঠিকভাবে বিষয়টি যাচাই করা হয়নি।

    ডলারের পরিচয় সম্পর্কে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তি মিরপুর-১১ এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। তবে তার পূর্ণ পরিচয় বা অবস্থান সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য তিনি দিতে পারেননি।

    এদিকে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘ডলার’ নামের ব্যক্তির বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাই করা হচ্ছে।

    ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, আসামির এসব বক্তব্য বিচার প্রক্রিয়ার অংশ এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের মাধ্যমে তা যাচাই করা হবে।

    তিনি আরও জানান, মামলার নথি, তদন্ত প্রতিবেদন ও আসামিদের জবানবন্দির ভিত্তিতে রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করছে।

    মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে রামিসা আক্তার নিখোঁজ হন। পরে পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন। ঘটনার পর সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    মামলায় মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিচার কার্যক্রম চলছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ