শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডিএসইতে সূচক-লেনদেন বাড়লেও কমেছে বাজার মূলধন রাতের আঁধারে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, প্রশ্ন তুললেন জামায়াত আমির জনপ্রত্যাশা পূরণে পুলিশকে কঠোর হতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি ইমরানের মুক্তির দাবিতে ৪ অক্টোবর রাজধানীমুখী পদযাত্রা, ইসলামাবাদে কড়াকড়ি জাবির নতুন উপাচার্য ড. মো. নূরুল ইসলাম কিবলার দিক ভুল হলে কি নামাজ আবার পড়তে হবে? মেঘনায় ট্রলারডুবি: দুই দিন পর তিন ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার নিয়মিত ৬ ঘণ্টা ঘুমে বাড়তে পারে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি হাসপাতালে তিশার মা, ভক্তদের কাছে দোয়া চাইলেন অভিনেত্রী
  • ‘গরু নয় যেন জলহস্তি’—রাজবাড়ীতে ৩৬ মণের ‘বস’ গরু দেখতে ভিড়

    ‘গরু নয় যেন জলহস্তি’—রাজবাড়ীতে ৩৬ মণের ‘বস’ গরু দেখতে ভিড়
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হোসেনডাঙ্গা গ্রামে দেখা মিলেছে বিশাল আকৃতির একটি গরুর, যা স্থানীয়দের কাছে ‘রাজবাড়ীর বস’ নামে পরিচিত হয়ে উঠেছে। গরুটির বিশাল দেহ, রাজকীয় চলাফেরা ও আকর্ষণীয় গঠন দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করছেন। অনেক দর্শনার্থীর ভাষ্য, এত বড় গরু এই এলাকায় আগে দেখা যায়নি; আকারে এটি যেন জলহস্তির মতোই।

    সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষক মোহাম্মদ আলীর বাড়ির উঠানের পাশের একটি ঘরে সাদা-কালো রঙের গরুটি রাখা হয়েছে। গরম থেকে রক্ষা করতে সেখানে ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। খাবার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে খড়, ধানের কুড়া, ছাল এবং সবুজ ঘাস।

    গরুর মালিক মোহাম্মদ আলী জানান, এটি তার নিজের গাভির বাছুর, যা তিন বছর ধরে সন্তানের মতো যত্নে বড় করেছেন। তিনি বলেন, গরুটির নাম ‘রাকচি রাজবাড়ীর বস’। তার দাবি অনুযায়ী ফিজিয়ান জাতের এই গরুটির ওজন প্রায় ৩৬ মণ, উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট এবং দৈর্ঘ্য ৭ ফুটের মতো।

    তিনি আরও জানান, গরুটিকে কোনো ইনজেকশন দেওয়া হয়নি। ধানের গুঁড়া, খৈল, ভুসি, খড় ও ঘাস খাইয়ে বড় করা হয়েছে। আগে খরচ কম হলেও বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার টাকার খাবার লাগে বলে জানান তিনি। আর্থিক চাপের কারণে গরুটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলেও জানান মোহাম্মদ আলী। তার ভাষ্য, ক্রেতারা দেখতে এলেও এখনো প্রত্যাশিত দাম পাননি। প্রায় ১০ লাখ টাকা পেলে তিনি বিক্রি করবেন।

    তার ছেলে করিম শেখ বলেন, তিন বছর ধরে পরিবারের সদস্যের মতো করেই গরুটিকে লালন-পালন করা হচ্ছে। সকাল, দুপুর ও রাতে নিয়মিত খাবার দেওয়া হয়। কেউ কিনতে চাইলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধও জানান তিনি।

    স্থানীয়রা জানান, এত বড় গরু এলাকায় আগে কখনো দেখা যায়নি। মোহাম্মদ আলীর পরিশ্রমে গরুটি লালন-পালন করা হয়েছে। প্রতিদিনই বহু মানুষ গরুটি দেখতে আসেন এবং ছবি ও ভিডিও করেন।

    দর্শনার্থী আনসুর রহমান বলেন, তিনি দূর থেকে গরুটি দেখতে এসেছেন এবং তার কাছে এটি গরু নয়, যেন বিশাল কোনো প্রাণী—জলহস্তির মতোই মনে হয়েছে।

    জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা জানান, ‘রাজবাড়ীর বস’ বর্তমানে জেলার সবচেয়ে বড় গরুগুলোর একটি। নিয়মিতভাবে গরুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে এবং খামারিকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    তারা আরও বলেন, সাধারণত এত বড় গরু পালনে নিরুৎসাহিত করা হয়, কারণ বাজারে এর ক্রেতা পাওয়া কঠিন এবং পরিবহনও জটিল। তাছাড়া গরম আবহাওয়ায় এসব বড় গরু অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকিতেও থাকে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন