পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি

পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে ২৫ সেপ্টেম্বর দুই দেশের প্রতিনিধিরা এতে সই করেন।
বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জেকব হেলবার্গ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বিএনপি মিডিয়া সেলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৯৮১ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, নতুন সমঝোতা তারই ধারাবাহিকতা।
এর আগে ২৪ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এক ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি বেথানি পৌলোস মরিসন দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতির কথা জানান। তিনি ওই সময় বেসামরিক পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারে সমঝোতা সইয়ের বিষয়টি সামনে আসার কথা জানিয়েছিলেন।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক সহযোগিতার চুক্তির মধ্যেই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়াম জ্বালানির নতুন চালান আসা নিয়ে সাময়িক জটিলতা তৈরি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে চালানটি ঢাকায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও আকাশপথের ছাড়পত্র না পাওয়ায় তা পাঠানো সম্ভব হয়নি।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি থাকলেও সংশ্লিষ্ট আকাশপথ উন্মুক্ত না থাকায় ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়েছে। পরে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশীতে পদ্মা নদীর তীরে নির্মাণাধীন রূপপুর দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। রাশিয়ার কারিগরি সহায়তায় নির্মিত দুই ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট, অর্থাৎ মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।