শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল জিতলেন অ্যানি কারসন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিপেটা হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১১৪৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত এনসিটি পরিচালনায় ১৫ বছরের দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড জলবায়ু অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে ইউএনডিপির সহযোগিতা চাইলেন মিন্টু যুব এশিয়া কাপে ৫ নভেম্বর আফগানিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ মানি চেঞ্জারে একবারে ৩ হাজার ডলার নিতে পারবেন বিদেশগামীরা বিয়ের দিনের চেয়েও সুন্দর, মেহজাবীনের নতুন সাজে মুগ্ধ ভক্তরা কেরানীগঞ্জে সড়কের পাশে রক্তমাখা নবজাতকের দায়িত্ব নিলো ইউএনও
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি: ঝুঁকিতে পড়ছে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ

    সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি: ঝুঁকিতে পড়ছে শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বর্তমান ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা শিশুদের অবসর সময়ের বড় অংশ দখল করে নিয়েছে। বিশেষজ্ঞ ও সমাজবিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলছেন, নিয়মিত এবং অনিয়ন্ত্রিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশে গুরুতর প্রভাব ফেলছে। এটি কেবল তাদের চোখের ক্ষতিই করছে না, বরং তাদের সামাজিক দক্ষতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    মানসিক স্বাস্থ্য ও আচরণগত পরিবর্তন

    গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় কাটানোর ফলে শিশুদের মাঝে একাকীত্ব ও বিষণ্নতা বাড়ছে। অন্যের কৃত্রিম জীবনযাত্রার সাথে নিজের জীবনের তুলনা করতে গিয়ে তারা হীনম্মন্যতায় ভুগছে। এর ফলে অনেক শিশুর মধ্যে মেজাজ খিটখিটে হওয়া, মনোযোগের অভাব এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

    সামাজিক দক্ষতার ঘাটতি

    ভার্চুয়াল জগতে হাজারো 'বন্ধু' থাকলেও বাস্তব জীবনে অন্যদের সাথে মিশতে বা কথা বলতে অনেক শিশু জড়তা অনুভব করছে। সরাসরি আড্ডা বা খেলাধুলার পরিবর্তে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার প্রবণতা তাদের সমানুভূতি (Empathy) এবং সামাজিক শিষ্টাচার শেখার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

    শারীরিক সমস্যা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা

    অল্প বয়সে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ফলে শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়ায় শিশুদের মাঝে স্থূলতা বা মেদবৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ছে। এছাড়া সাইবার বুলিং বা অনাকাঙ্ক্ষিত কন্টেন্টের সংস্পর্শে আসার ফলে তাদের নৈতিক ও চারিত্রিক বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার ক্ষেত্রে অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। স্ক্রিন টাইমের চেয়ে মাঠের খেলাধুলা এবং সৃজনশীল কাজে তাদের উৎসাহিত করাই হবে এখনকার প্রধান চ্যালেঞ্জ।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ