রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রোববার নারায়ণগঞ্জের ৫ এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না মার্কিন হামলাকে শান্তিচুক্তির লঙ্ঘন বলছে ইরান আইসিসিকে ১৪ পাতার চিঠিতে কী লিখেছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল? ফেসবুক পোস্টে রহস্যময় বার্তা দিলেন মাহফুজ আলম এনআইডি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা, ১৫ বছর পর নবায়ন বাধ্যতামূলক! হরমুজে ট্যাংকারে হামলার পর নতুন করে বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭০৮ ২০২৮ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ মালয়েশিয়া-চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য বন্ধু: শফিকুর রহমান দ্বিপাক্ষিক সফরে দেশ ও জনগণের স্বার্থই ছিল অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
  • ৬ মাস থেকে ২ বছর

    শিশুর সঠিক পুষ্টি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য তালিকা

    শিশুর সঠিক পুষ্টি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য তালিকা
    এ আই
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    জন্মের প্রথম ৬ মাস শিশুর জন্য শুধুমাত্র মায়ের দুধই যথেষ্ট। তবে ৬ মাস পূর্ণ হওয়ার পর থেকে শিশুর দ্রুত বর্ধনশীল শরীরের চাহিদা মেটাতে মায়ের দুধের পাশাপাশি বাড়তি পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন হয়। এই সময়ে খাবারের গুণগত মান, গঠন এবং খাওয়ানোর নিয়ম শিশুর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে। পুষ্টিবিদদের মতে, শিশুর খাবার হতে হবে নরম, সহজপাচ্য এবং সুষম পুষ্টিতে ভরপুর।

    বয়স অনুযায়ী শিশুর খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত, তার একটি রূপরেখা নিচে তুলে ধরা হলো:

    ৬–৮ মাস: শুরুর প্রস্তুতি

    এই সময়ে শিশুকে দিনে ২-৩ বার অল্প পরিমাণে খাবার দেওয়া উচিত। খাবারের তালিকায় থাকতে পারে:

    • নরম ভাত মাখা (ভাত ও ডাল)।

    • সেদ্ধ করা আলু, মিষ্টি কুমড়া বা পেঁপে ভর্তা।

    • চটকানো কলা বা সেদ্ধ করে চটকানো আপেল ও নাশপাতি।

    • পাতলা খিচুড়ি এবং ডিমের সেদ্ধ কুসুম।

    ৯–১২ মাস: গঠন ও বৈচিত্র্য

    এই বয়সে খাবারের পরিমাণ এবং ঘনত্ব কিছুটা বাড়িয়ে দিনে ৩-৪ বার খাবার এবং মাঝে ১-২ বার হালকা নাস্তা দেওয়া যেতে পারে।

    • সবজি, ডাল ও সামান্য তেল দিয়ে তৈরি ঘন খিচুড়ি।

    • পুরো ডিম (ভালোভাবে সেদ্ধ)।

    • মুরগির মাংস বা মাছের কাঁটাছাড়া নরম অংশ।

    • দই এবং দুধে ভেজানো রুটি।

    ১ বছর ও তদুর্ধ্ব: পরিবারের স্বাভাবিক খাবার

    ১ বছর পূর্ণ হলে শিশু পরিবারের সবার সাথে নিয়মিত খাবার খাওয়ার উপযোগী হয়। ভাত, মাছ, মাংস, সবজি ও ডাল একটু নরম করে তাকে অভ্যাস করাতে হবে। পাশাপাশি ফলমূল এবং স্বাস্থ্যকর নাস্তা হিসেবে চিড়া বা মুড়ি দেওয়া যেতে পারে।


    অভিভাবকদের জন্য বিশেষ পরামর্শ:

    • লবণ ও চিনির নিয়ন্ত্রণ: শিশুর খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও চিনি এড়িয়ে চলুন। ১ বছরের আগে শিশুকে মধু না দেওয়াই শ্রেয়।

    • অ্যালার্জি পর্যবেক্ষণ: যেকোনো নতুন খাবার একবারে একটি করে শুরু করুন এবং ২-৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন শিশুর কোনো অ্যালার্জি হচ্ছে কি না।

    • ধৈর্যশীল আচরণ: শিশুকে জোর করে না খাইয়ে আনন্দের সাথে খাওয়ার পরিবেশ তৈরি করুন।

    • পরিচ্ছন্নতা: খাবার তৈরি ও খাওয়ানোর আগে হাত এবং বাসনপত্র ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন।

    শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য খাবারে সামান্য পরিমাণ ঘি বা তেল যোগ করা অত্যন্ত উপকারী। সঠিক সময়ে সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করলে শিশু বড় হয়ে উঠবে মেধাবী ও রোগমুক্ত।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন