জিকিরের মাধ্যমে নির্বাচনে সফল হওয়ার কৌশল

বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বাচনী উত্তাপ তীব্রভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এবার ধর্মানুগ উলামা-মাশায়েখদের উপস্থিতি আগের সব নির্বাচনের তুলনায় বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কিছু পর্যবেক্ষকের মতে এটি সমকালীন ‘জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ’, আবার কেউ কেউ এটিকে ‘দাওয়াত’-এর অংশ হিসেবে দেখছেন। সাধারণ ধর্মপ্রাণ রাজনীতিবিদদের দৃষ্টিতে, এটি দেশের, জাতির ও মানবতার কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।
যে মহান উদ্দেশ্যই আপনি লালন করুন না কেন, তার সাফল্যের জন্য প্রয়োজন অব্যাহত ‘জিকির’কে সঙ্গী হিসেবে ধারণ করা। মৌখিক, মানসিক ও চেতনায় যার যত বেশি জিকির সাহচর্যী হবে, তার সাফল্য তত বেশি দেদীপ্যমান হবে।
‘হে বিশ্বাসীরা! যখন তোমরা যুদ্ধক্ষেত্রে থাকো— তোমরা সুদৃঢ় থাকো এবং ব্যাপক পরিমাণে আল্লাহর জিকির করো, তবেই তোমরা সফল হবে।’ (সুরা : আল-আনফাল, আয়াত : ৪৫)
মুসা (আ.)-কে যখন তাঁর ভাই হারুন (আ.)-সহ আল্লাহ তাআলা ফেরাউনের কাছে দাওয়াত নিয়ে প্রেরণ করলেন, তিনি বলেন, ‘আমার নিদর্শনসমূহ নিয়ে যাও এবং তোমরা উভয়ে আমার জিকিরে ত্রুটি কোরো না।
’ (সুরা : ত্বহা, আয়াত : ৪২)
অন্য আয়াতে এসেছে, ‘হে বিশ্বাসীরা, তোমরা রুকু-সিজদা ও ইবাদতের মাধ্যমে আমার জিকির করো এবং কল্যাণজনক কাজ করো।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ৭৭)
কাজেই নির্বাচনী ব্যস্ততায় ও প্রচারণায় সরগরম মুহূর্তে বা মিছিল-মিটিং ও সমাবেশে নামাজ যেন ছুটে না যায় বা পিছিয়ে না যায়। জিহ্বা যেন জিকিরবিমুখ না হয়। কারণ নির্বাচনের ফলাফলে কারো স্বপ্ন চরমভাবে ভঙ্গ হবে বা স্বপ্নের চেয়েও বেশি অর্জিত হবে।
কিন্তু জিকিরময় নির্বাচন হলে হারানোর কিছু থাকবে না। অর্জনের ঘাটতিও আসবে না।