সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতেই টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন নিগার কোস্টগার্ডকে উপকূলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ডমিনেজ স্টিলে আইপিও অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, পাঁচ পরিচালককে ৫ কোটি টাকা জরিমানা সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই ১৮৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি রেমিট্যান্স সূচকের বড় উত্থান, ডিএসইতে এক মাসের সর্বোচ্চ লেনদেন বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে হাম-রুবেলার টিকা দেবে সরকার বড় রান তাড়ায় ব্যাটিং ধসকে স্বাভাবিক বলছেন জ্যোতি হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৫৭ মোদির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের জরিমানার নোটিশ
  • আধ্যাত্মিক সমৃদ্ধির রাত: শবে বরাত ও দোয়া

    আধ্যাত্মিক সমৃদ্ধির রাত: শবে বরাত ও দোয়া
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র শবে বরাত। ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী, এই রাতটি দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য বিশেষ বরকতের রাত। অতীতের ভুল ও গুনাহ স্মরণ করে সত্যিকারের তাওবা করা এবং ধারাবাহিক ইবাদত দ্বারা রাতটি যথাযথভাবে উদযাপন করা প্রয়োজন।

    রাতব্যাপী ইবাদতের জন্য প্রথমে মনোযোগসহকারে অজু নেওয়া উচিত এবং পরে কালেমা শাহাদাত পাঠ করা যাবে। মাগরিবের আযানের সময় মনোযোগসহকারে আযানের জবাব দিয়ে দুরুদ পাঠ করা ও আযানের দোয়া পড়ার পর মাগরিব ও আওয়াবিন নামাজ পড়া অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। নামাজের ফাঁকে বা পরে ১৫ মিনিটের সন্ধ্যার যিকির অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

    শবে বরাতের রাতটি পড়াশোনা ও জ্ঞানার্জনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামি বই পড়ার মাধ্যমে তাওবার প্রতি গভীর আগ্রহ জন্মানো এবং জান্নাত ও জাহান্নামের নিয়ামত ও শাস্তি সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। এশার নামাজের পর সুরা মুলক পাঠ এবং খাঁটি তাওবা করা এই রাতের বিশেষ আমল হিসেবে বিবেচিত।

    রাতব্যাপী নফল নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, সালাতুত তাসবিহের নামাজ, দুরুদ ও ইস্তেগফার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাহ ইত্যাদি ১০০ বার পাঠ করা অনুপ্রেরণামূলক।

    শবে বরাতের আমলগুলোর সঙ্গে দান ও সদকা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এতিম, গরিব ও বিধবার প্রতি সহায়তা প্রদান করলে অতিরিক্ত সওয়াব পাওয়া যায়। এছাড়া কবরে গিয়ে বা বাড়ি থেকে দূর থেকে সালার জিয়ারত করা সুন্নাত হিসেবে প্রযোজ্য।

    রাতের শেষভাগে, রাত ৩টায় তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে সাহরি খাওয়া এবং দোয়া ও তাওবা করা উচিত। পরিশেষে, ফজরের নামাজ ও যিকিরের মাধ্যমে রাতের ইবাদত সম্পূর্ণ করা যায়।

    শবে বরাতের রাত যেন অবহেলা না হয়। এক ছোট আমলও বাদ না দিয়ে, মনোযোগসহকারে ইবাদত ও তাওবা করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য প্রয়োজন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ