জুমার দিনে যেসব আমলে সওয়াব বাড়ে

ইসলামে জুমার দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে মুমিনদের জুমার দিনে দ্রুত মসজিদে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাদিসে উল্লেখ আছে, জুমার দিনে কিছু বিশেষ আমল করলে আল্লাহর কাছে দোয়া কবুল হয় এবং পাপ মাফ হয়।
জুমার দিনে গুরুত্বপূর্ণ আমল
১. জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিনে:
আল্লাহ আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন।
আল্লাহ আদম (আ.)-কে জমিনে অবতরণ করিয়েছেন।
এই দিনে আদম (আ.) মৃত্যু পেয়েছেন।
একটি বিশেষ সময় আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা প্রার্থনা করবে তা দেওয়া হবে (হারাম ছাড়া)।
কিয়ামত এই দিনে সংঘটিত হবে।
(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৮৯৫)
২. জুমার নামাজ আদায়
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যারা জুমার দিন গোসল, সুগন্ধি ব্যবহার করে মসজিদে আসেন এবং মনোযোগসহ নামাজ আদায় করেন, তাদের দুই জুমার মধ্যবর্তী পাপ মাফ হয়।
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৮৩; মুসলিম, হাদিস : ২৩৩)
৩. জুমার দিনে গোসল
গোসল করে মসজিদে আগেভাগে পৌঁছানো এক বছরের রোজা ও নামাজের সমতুল্য সওয়াব এনে দেয়।
(আবু দাউদ, হাদিস : ৩৪৫)
৪. মসজিদে প্রথমে প্রবেশ করা
প্রথমে মসজিদে যাওয়া এবং খুতবা মনোযোগসহ শোনা বিশেষ সওয়াবের কাজ। নবীজির উদাহরণ অনুযায়ী, প্রতিটি পর্যায়ের আগমনে আল্লাহর কাছে ভিন্ন ধরণের সওয়াব হয়।
(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৮৪১)
৫. দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত
জুমার দিনে আছরের শেষ সময়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তা কবুল হয়।
(আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৮)
৬. সুরা কাহাফ পাঠ
জুমার দিনে সুরা কাহাফ পাঠ করা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে আলোকিত রাখে। শেষ ১০ আয়াত দাজ্জাল থেকে সুরক্ষা দেয়।
(সহিহ তারগিব, হাদিস : ১৪৭৩)
৭. দরুদ পাঠ
জুমার দিনে নবীজির (সা.) ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা সুন্নত। এটি বিশেষভাবে প্রার্থনা কবুল ও সওয়াব বৃদ্ধি করে।
(আবু দাউদ, হাদিস : ১০৪৭)