সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ন্যাম ভবন থেকে সাতক্ষীরার এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতেই টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন নিগার কোস্টগার্ডকে উপকূলে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ রাষ্ট্রপতির ডমিনেজ স্টিলে আইপিও অর্থ ব্যবহারে অনিয়ম, পাঁচ পরিচালককে ৫ কোটি টাকা জরিমানা সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনেই ১৮৮ কোটি ডলারের কাছাকাছি রেমিট্যান্স সূচকের বড় উত্থান, ডিএসইতে এক মাসের সর্বোচ্চ লেনদেন বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে হাম-রুবেলার টিকা দেবে সরকার বড় রান তাড়ায় ব্যাটিং ধসকে স্বাভাবিক বলছেন জ্যোতি হামের উপসর্গে আরও ৪ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৫৭ মোদির জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের জরিমানার নোটিশ
  • সূরা ও আয়াতের মাধ্যমে জীবনে সুরক্ষা ও বরকত

    সূরা ও আয়াতের মাধ্যমে জীবনে সুরক্ষা ও বরকত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দৈনন্দিন জীবনে সঠিক সময়ে কুরআনের সূরা ও আয়াত পাঠ করলে মানসিক শান্তি, সুরক্ষা ও জীবনের বরকত বৃদ্ধি পায়। সকাল হোক বা রাত, বিপদে হোক বা দুশ্চিন্তায়, প্রতিটি পরিস্থিতিতে নির্দিষ্ট সূরার পাঠ জীবনে আশীর্বাদ বয়ে আনে। এসব সূরার নিয়মিত পাঠের মাধ্যমে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।

    সকালের শুরুতে – সূরা ইয়াসিন:
    রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, দিনের শুরুতে সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে সকল প্রয়োজন পূর্ণ হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে এটি পাঠ করলে সারাদিনের কাজে বরকত আসে এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।

    রাতের বেলা – সূরা আল-মুলক:
    হাদিসে উল্লেখ আছে, সূরা আল-মুলক কবরের যন্ত্রণার থেকে সুরক্ষা দেয়। রাসুল (সা.) রাতে ঘুমানোর আগে এটি পড়তেন। নিয়মিত পাঠকারীর জন্য এটি কিয়ামতের দিন সুপারিশ করবে যতক্ষণ না ক্ষমা প্রাপ্ত হয়।

    বিপদের সময় – সূরা ফীল:
    বড় বিপদ বা শত্রুর আক্রমণ মোকাবেলায় সূরা ফীল পাঠ করা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, আল্লাহর সাহায্যে বিশ্বাস রাখলে এটি শত্রু এবং জালেম থেকে রক্ষা করে।

    জাদু বা বদ নজরে – সূরা ফালাক ও সূরা নাস:
    মুআওয়াজাতাইন নামে পরিচিত এই দুটি সূরা জাদু ও কুনজরের প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয়। রাসুল (সা.) রাতে ঘুমানোর আগে এই সূরা দুটির পাঠ করতেন এবং শরীরে ফুঁ দিতেন।

    মন খারাপ বা দুশ্চিন্তায় – সূরা ইনশিরাহ:
    বিশেষজ্ঞদের মতে, মন বিষণ্ণ বা সমস্যায় ভরা হলে সূরা ইনশিরাহ পাঠ করলে প্রশান্তি মেলে। এতে আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি আছে।”

    রোগ-ব্যাধিতে – সূরা ফাতিহা:
    ফাতিহা সূরাকে ‘আশ-শিফা’ বা রোগমুক্তি বলা হয়। সাহাবায়ে কেরাম বিষাক্ত দংশন বা অসুস্থতায় এটি পাঠ করে সুস্থতা লাভ করতেন।

    ভয়ের সময় – আয়াতুল কুরসি:
    কুরআনের মর্যাদাপূর্ণ আয়াত আয়াতুল কুরসি রাতে শোবার আগে পাঠ করলে আল্লাহ ফেরেশতার মাধ্যমে সুরক্ষা দেন। এটি কোনো নির্জন বা বিপজ্জনক স্থানে ভয় কমাতে কার্যকর।

    রিজিক বৃদ্ধির জন্য – সূরা ওয়াকিয়া:
    যারা প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া পাঠ করেন, তারা কখনো দারিদ্র্যের শিকার হন না। এটি মাগরিব বা এশার পর পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    সূরা ও আয়াতের এই নিয়মিত পাঠ কেবল মানসিক প্রশান্তি নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়ও সাহায্য করে। তাই দৈনন্দিন সময়সূচিতে কিছু সময় আলাদা করে কুরআনের পাঠ রাখলে জীবনে বরকত, সুরক্ষা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ