সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
Natun Kagoj

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ সূরা সমূহ

তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ সূরা সমূহ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

রাতে আল্লাহর আরও কাছাকাছি পৌঁছানোর ও অন্তরে প্রশান্তি আনার জন্য মুসলিম উম্মাহর মধ্যে অত্যন্ত সুপরিচিত নামাজ হলো তাহাজ্জুদ। ইসলামের শিক্ষায় বলা হয়েছে, ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্তম নামাজ রাতের নামাজ, যা অন্তরকে দুঃখ ও ব্যথা থেকে মুক্তি দেয় এবং আশা জাগায়।

তাহাজ্জুদ নামাজের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি আল্লাহর নৈকট্য লাভ করেন এবং এটি দোয়া কবুলের সবচেয়ে বরকতময় সময় হিসেবে বিবেচিত।

তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের ধাপসমূহ:

১. রাতের শেষ তৃতীয়াংশে জাগুন: মাগরিব ৬:০০ PM ও ফজর ৫:০০ AM হলে রাতের শেষ তৃতীয়াংশ হবে রাত ১:২০ থেকে ফজর পর্যন্ত। জাগার পর ওজু করে নিন।
২. নিয়ত করুন: আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার নিয়ত করুন।
৩. তাকবির দিয়ে নামাজ শুরু করুন:  'আল্লাহু আকবার'  বলে নামাজ শুরু করুন। সাধারণ নফল নামাজের মতো দুই রাকাত আদায় করুন।
৪. সূরা ফাতিহা ও অন্যান্য সূরা পাঠ করুন: সূরা ফাতিহার পর সূরা ইখলাস বা সূরা কাফিরুন পাঠ করা সুপারিশকৃত।
৫. সেজদায় দোয়া করুন: নামাজ শেষে খালেস অন্তরে আল্লাহর কাছে কষ্ট, আশা, ভয় ও ভালোবাসা প্রকাশ করুন।
৬. সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করুন।
৭. বিতর নামাজ পড়ুন: তাহাজ্জুদের পর ১, ৩ বা ৫ রাকাত বিতর নামাজ পড়া উত্তম ও সুন্নত।

রাতের শেষ তৃতীয়াংশে নামাজ পড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ নিচের আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, ‘কে আছে আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে কিছু চাইবে, আমি তাকে দেব? কে ক্ষমা চাইবে, আমি তাকে ক্ষমা করব?’”

নিয়মিত তাহাজ্জুদ পড়তে না পারলেও, ইচ্ছা থাকলেই আল্লাহ সওয়াব দান করবেন। রাসূল (সাঃ) বলেছেন, “যে কোনো ভালো কাজ করার নিয়ত করে কিন্তু করতে না পারে, তার জন্য পূর্ণ সওয়াব লেখা হয়।”

রাতের নামাজ তাহাজ্জুদ কেবল একটি ইবাদত নয়; এটি অন্তরের প্রশান্তি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের পথ। ধর্মীয় পরামর্শ অনুযায়ী, যারা নিয়মিত তাহাজ্জুদ নামাজ পড়েন, তাদের দোয়া কবুলের বরকত অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি।


দৈএনকে/জে, আ
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন