কেন নামাজ ও কোরআনের পরও জাদু বা অস্বস্তি দূর হচ্ছে না?

অনেক মুসল্লি নামাজ পড়ছেন, কোরআন তিলাওয়াত করছেন—তবুও জাদু বা অস্বস্তির প্রভাব থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর পেছনে মূল কারণ হলো কিছু ভুল ধারণা, আমলের ঘাটতি এবং ধৈর্যের অভাব।
সঠিক পদ্ধতি ও রুকইয়াহ:
নিয়মিত নামাজ ও কোরআন পাঠ বৃথা যায় না। তবে শুধুমাত্র তিলাওয়াত করা যথেষ্ট নয়। নির্দিষ্ট আয়াত দিয়ে সঠিক রুকইয়াহ করা, নিজের উপর ফুঁ দেওয়া, পানি বা তেলে দম দেওয়ার মতো সুন্নাহ পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি।
গুনাহের প্রভাব:
অনেক সময় মুসল্লিরা ইবাদত করছেন, কিন্তু একই সঙ্গে হারাম কাজ, পর্দার অবহেলা, সুদ, ঝগড়া, হিংসা বা অহংকার পালন করছেন। এই অভ্যাস শয়তানের দরজা খুলে দেয়, ফলে জাদু বা ওয়াসওয়াসার প্রভাব সহজে দেখা দেয়।
ধৈর্যের অভাব:
জাদু অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী হয়। যেমন কোনো রোগ সারতে সময় লাগে, তেমনি রুকইয়াহও কিছুদিনে ফল দেয় না। কয়েকদিন বা সপ্তাহে ছেড়ে দিলে উপকার পুরোপুরি আসে না।
পূর্ণ ভরসার ঘাটতি:
আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল শুধু মুখের কথা নয়, অন্তরের বিশ্বাস হতে হবে। “আল্লাহই আমাকে শিফা দেবেন”—এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকলে প্রভাব দ্রুত কমে।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, নামাজ ও কোরআন হচ্ছে মূল শক্তি। এর সাথে সহিহ রুকইয়াহ, তাওবা, গুনাহ ত্যাগ এবং ধৈর্য যুক্ত হলে, আল্লাহর অনুমতিতে জাদুর বন্ধন একসময় ভেঙে যায়।
শেষে তারা মনে করিয়ে দিয়েছেন, আল্লাহ কাউকে পরীক্ষা দিলে, সেই পরীক্ষার সমাধানও তিনিই রেখে দেন।
দৈএনকে/জে, আ